বন্যার পর ফুটে উঠেছে নোয়াপাড়া স্কুলের ধ্বংসযজ্ঞ
চকরিয়ায় ভয়াবহ বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর হারবাং ইউনিয়নের নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। বিদ্যালয়সংলগ্ন সড়ক, ওয়াশ ব্লক, শহীদ মিনার ও গাইড ওয়াল সম্পূর্ণ ভেঙে তলিয়ে গেছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী হলেও বন্যার সময় এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এছাড়া, বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়ক রক্ষায় স্থানীয়রা বাঁধ দেওয়ার উদ্যোগ নিলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম এতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি, সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হতো।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম। তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়গুলো সত্য নয়। ভয়াবহ বন্যায় আমার বিদ্যালয়ের প্রায় ২ কোটি টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য বিদ্যালয়ের ক্ষয়ক্ষতির তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
এদিকে বন্যার পানি সরে যাওয়ার পর বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত সংস্কার এবং শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী।







