ফটিকছড়ি উত্তর সদর দপ্তর ইস্যুতে ভূজপুরে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় নির্ধারণের সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন এবং সুয়াবিল ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের একাংশের বাসিন্দারা অংশ নেন।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত সমাবেশে দুই ইউনিয়ন ও সুয়াবিল, নারায়ণহাটের একাংশের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কাজিরহাট বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হরিনাখুল এইচএফ কনভেনশন হলের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা জুনায়েদ বিন জালাল।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারি গেজেটে নির্ধারিত পশ্চিম ভূজপুর মৌজাতেই উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপনের সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান।
তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত এবং এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি উত্তর ফটিকছড়ির সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সুয়াবিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এয়াকুব শহীদ আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
নারায়ণহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা জহির উদ্দিন বাবর বলেন, উপজেলা আলাদা হয়েছে, এতেই আমরা খুশি। সদর দপ্তর কোথায় হবে, সেটি বড় বিষয় নয়। নতুন উপজেলার মাধ্যমে মানুষ যে সরকারি সুবিধা পাবে, সেটিই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, উপজেলা পরিষদে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে খুব বেশি যেতে হয় না। বর্তমানে সড়ক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।
ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএইচএম শাহজাহান চৌধুরী শিপন বলেন, সরকার সব দিক বিবেচনা করেই পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণ করেছে। সেখানে ইতোমধ্যে থানা ভবনসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উত্তর ফটিকছড়ির উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আমরা আশা করি।











