প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ও নিউইয়র্কের বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তাকে অভিনন্দন জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।

এরপর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টার প্রতি চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন।




জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : হুমায়ুন ক‌বির

জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : হুমায়ুন ক‌বির
ছবি সংগৃহীত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে ব‌লে ম‌ন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন ক‌বির। তি‌নি ব‌লে‌ছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধররেছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমা‌নের অংশগ্রহণ নিয়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য ক‌রেন তি‌নি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, সার্বিক বিবেচনায় এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে। এই সফর নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশাকে বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সভায় ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সব অতিথিই স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাংলাদেশের নতুন এই গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

তি‌নি ব‌লেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের নিরঙ্কুশ ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান ও আত্মমর্যাদা নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন।

হুমায়ুন ক‌বির ব‌লেন, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী সব মিলিয়ে মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন, ৭টি উচ্চ-পর্যায়ের সভায় বক্তব্য রেখেছেন, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

তি‌নি জানান, অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক ও ইরানের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের উপ-রাষ্ট্রপতি, ভুটান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতির প্রধানমন্ত্রী এবং কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, এ ছাড়া, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিব, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, মিয়ানমার সংক্রান্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা, গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী, বোয়িং গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী এবং ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।




সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব

সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব
ছবি সংগৃহীত।

সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় সাংবাদিকদের অন্যায়ভাবে হয়রানি ও ভিকটিমাইজেশন ঠেকাতে গ্রেপ্তারের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী জানান তিনি নিজেও বিষয়টিকে উপযুক্ত মনে করেছেন।  

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের যে সংশোধনী আনার জন্য খসড়া রেডি করেছিলাম, সেটা কেবিনেটে আলোচনা হয়েছে। কেবিনেট আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত দিয়েছে আমরা যেন সমস্ত সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে এটা আলোচনা করি এবং যারা সাইবার স্পেসে কাজ করেন, আইটি এক্সপার্ট, তাদের সাথে আমরা কথা বলি।

তিনি বলেন, এই আইনটা যাতে নিপীড়নমূলক কোনো আইনে পরিণত না হয়, সেজন্য আমরা সমাজের সর্বস্তরের মতামত গ্রহণ করার জন্য ওয়েবসাইটে খসড়া বিলটা প্রকাশ করেছি। ওয়েবসাইটে অনেকেই মতামত দিয়েছেন, অনেক প্রতিষ্ঠান মতামত দিয়েছে, অনেক মানবাধিকার সংগঠন, হিউম্যান রাইটস বডিজ মতামত দিয়েছে, অনেক শিক্ষার্থী মতামত দিয়েছে, সেটা আমরা কম্পাইল করেছি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের উল্লেখযোগ্য প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সমস্ত প্রতিনিধি, সম্পাদক, বিশিষ্ট সাংবাদিকসহ সংবাদপত্রের সংগঠন এবং জার্নালিস্টদের বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি সবার সাথে একসাথে কথা বলেছি, আজকে দ্বিতীয় বৈঠক।

আপনাদের সাথে বৈঠকে, সম্পাদকদের সাথে বৈঠকে গত ১০ তারিখে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আপনারা পরবর্তী মিটিংয়ে আপনাদের সুস্পষ্ট মতামত লিখিতভাবে অথবা ওয়েবসাইটে অথবা সরাসরি মিটিংয়ে আমাদের কাছে প্রদান করবেন। অনেকেই বক্তব্যের সাথে বলেছেন যে আপনারা লিখিত মতামতটা দিয়ে যাবেন, আমরা আশা করি পেয়ে যাব।

তিনি বলেন, আজকে নতুন করে আমাদের সম্মানিত সবার শ্রদ্ধেয় জনাব মাহফুজ আনাম সাহেব, তিনি প্রস্তাব করেছেন যে, আমরা যেন আরেকটু সময় নিয়ে এই যারা মিডিয়া এবং সাইবার এক্সপার্ট, তাদের সমন্বয়ে একটা মতামত নিই এবং মিডিয়া যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, এই আইনে ভিকটিমাইজ না হয়, সেজন্য আমরা কিছু প্রোটেকশন যাতে আমরা সেভিং ক্লজ রাখি, সেটার ব্যবস্থা করি... আমরা এটা গ্রহণ করেছি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, সবার আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই আইনটা সমৃদ্ধ হবে। এখানে আমরা মিডিয়াকে টার্গেট করে আইনটা করতে চাইনি, চাই না এবং কোনো সাংবাদিক এটার শিকার হোক, এই আইনের অপপ্রয়োগ হোক, সেটা আমরা চাই না।

তিনি বলেন, সংবাদপত্র, প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন মিডিয়ার কোনো সাংবাদিক যাতে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেজন্য একটা প্রস্তাবও এখানে করা হয়েছে যে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে... আদালতের অনুমতি নিতে হবে গ্রেপ্তারের আগে। সেটা আমরা উপযুক্ত মনে করেছি, সেটা তারপরেও রিকমেন্ডেশনস আসবে আগামী ১৫ দিন পরে।

মন্ত্রী বলেন, এ ছাড়া আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটা সার্টেন টাইম লিমিট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, সেটাও আমরা দিয়েছি যাতে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কেউ ঝুলে না থাকে। আরও অন্যান্য বিষয়ে পরামর্শ আকারে তাদের কাছ থেকে আমরা পাব আশা করি। সেটা সমন্বয়ের জন্য আমরা পিআইওকে ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে এখানে দায়িত্ব দিয়েছি। আইটি মিনিস্ট্রি এবং ইনফরমেশন মিনিস্ট্রি সেটা কোঅর্ডিনেট করবে। সংবাদপত্রের সম্পাদক পরিষদের প্রতিনিধিরা থাকবেন এবং সাথে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা থাকবেন। সাইবার সিকিউরিটি বা সাইবার এক্সপার্টদের একটা প্যানেল করা হবে, সেটা আইটি মিনিস্ট্রি করবে।

তিনি বকেন, আশা করছি আমরা ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে এই রিকমেন্ডেশনসগুলো পাব। ১৫ দিন পরে আমরা সেটা অফিসিয়ালি আমাদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ যারা কমিটির মেম্বার, সবার সাথে বসে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেব। এরপরে সেটা আমরা ক্যাবিনেটে নিয়ে যাওয়ার আগে আমরা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করব। ওয়েবসাইটে প্রকাশ করলে তখনও মতামত দেওয়ার জন্য আপনাদের স্বাধীনতা থাকবে।  

মন্ত্রী আরও বলেন, সংসদে গেলেও আমরা সেটা তাড়াহুড়ো করে পাস করব না। সেখানে আলাপ-আলোচনা হবে, বিরোধী দল, সরকারি দল সবাই আলোচনা করবে এবং সংসদের বাইরেও আশা করি বিভিন্ন ধরনের সেমিনার-সিম্পোজিয়াম আপনারা করবেন, সেখান থেকেও মতামত আসবে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এমন একটা আইন করতে চাই, যে আইনের মাধ্যমে আমরা সমাজের সর্বস্তরের লোকজনকে রক্ষা করতে পারবো, বিশেষ করে আমাদের যুবসমাজ...তাদেরকে আমরা রক্ষা করতে পারব।




সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তিনি (সালমান মুক্তাদির) ভিকটিম হয়েছেন, এটি পুলিশ প্রাথমিকভাবে দেখেছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে আরও বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন। এ ঘটনায় জিডি বা মামলা করার আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই মামলা হতে পারে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শনিবার সালমান মুক্তাদিরের একটি স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। তিনি বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন এবং বিএনপিকে চাঁদাবাজ দল হিসেবে উল্লেখ করেন। তার অভিযোগ ছিল, চাঁদা না দেওয়ার কারণেই তার স্টুডিওতে ভাঙচুর করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদির ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা করেননি। এমনকি তিনি নিজেই বলেছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা দাবি করেনি এবং চাঁদা চাইলে তিনি দিতেন। ফলে নির্দিষ্টভাবে কার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে, তা এখন পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি।

এদিকে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, বিএনপিকে চাঁদাবাজ দল হিসেবে যে ঢালাও অভিযোগ করা হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি। সালমান মুক্তাদির যদি চাঁদাবাজির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করেন, তাহলে পুলিশ সেটি তদন্ত করে দেখবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ঘটনাস্থল মানিকদী নামাপাড়া, যা ক্যান্টনমেন্ট থানার অন্তর্গত। সেখানে প্রায় ৩৫ শতাংশ জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। এক পক্ষ একটি বিল্ডার প্রতিষ্ঠান এবং অন্য পক্ষ একজন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষে কিছু লোক রাতের অন্ধকারে জায়গাটি দখল করতে যায়। সেখানে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। ওই স্থাপনার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্থাপনা ছিল, যেখানে সম্ভবত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরির কাজ হতো। ওই স্থাপনাতেও বেশ কিছু ভাঙচুর হয়েছে।