প্রচার-প্রচারণার অভাবে ক্রেতাশূন্য বান্দরবানের যুব মেলা, হতাশ উদ্যোক্তারা

বান্দরবানে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত যুব মেলায় প্রচার-প্রচারণার অভাব ও নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হলেও অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তারা আশানুরূপ ক্রেতা ও দর্শনার্থী পাচ্ছেন না। এতে পণ্য বিক্রি নিয়ে হতাশায় পড়েছেন মেলায় স্টল দেওয়া উদ্যোক্তারা।
মেলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে উল্লেখযোগ্য প্রচার-প্রচারণা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মেলা শুরুর আগের দিন ৩১ অক্টোবর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একটি গাড়ির মাধ্যমে মাইকিং করা হলেও এর বাইরে তেমন কোনো প্রচারণা চালানো হয়নি বলে জানা গেছে।
মেলায় স্টল দেওয়া এক উদ্যোক্তা বলেন, “মেলায় অংশগ্রহণের জন্য স্টল নিয়েছি। কিন্তু আশানুরূপ ক্রেতা ও দর্শনার্থী আসছেন না। মেলা সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রচার-প্রচারণা না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।”
অন্য এক উদ্যোক্তা জানান, “মেলার জন্য এক সপ্তাহ ধরে পরিশ্রম করে পণ্য তৈরি করেছি। কিন্তু মেলায় এসে দেখছি, মানুষের উপস্থিতি খুবই কম। এসব পণ্য বিক্রি করতে না পারলে আর্থিকভাবে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।”
এদিকে, মেলার শুরু থেকেই বিভিন্ন ধরনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রজেক্টরের মাধ্যমে পণ্যের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখার কথা থাকলেও বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে স্টল দেওয়া উদ্যোক্তারা তাঁদের প্রদর্শনী উপস্থাপন করতে পারেননি। এতে মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশিতভাবে নিজেদের পণ্য তুলে ধরার সুযোগ ব্যাহত হয়েছে।
এ বিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বান্দরবানের উপপরিচালক মো. এনায়েত করিম বলেন, “এবারই প্রথম আমরা এ ধরনের মেলার আয়োজন করেছি। তাই নানা ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এবার ১০টি স্টল করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যাতে ২০ থেকে ২৫টি স্টল করা যায়, সে বিষয়ে চেষ্টা করব।”
মেলায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তা ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনে মেলার প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর পাশাপাশি সার্বিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে। এতে উদ্যোক্তারা তাঁদের পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন এবং যুব মেলা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।











