পার্বত্য রাজনীতিতে আস্থার প্রতীক সাজাইমং মারমা: সম্প্রীতি ও উন্নয়নের অঙ্গীকার

রাঙ্গামাটির কাউখালীসহ পার্বত্য অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে সম্প্রীতি রক্ষা এবং তৃণমূল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এক অনন্য নাম সাজাইমং মারমা। দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক পথচলায় প্রতিকূলতা জয় করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন জনআস্থার প্রতীক হিসেবে। বর্তমানে কাউখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করা এই নেতা পাহাড়ের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
১৯৭৪ সালে কাউখালীর মহাজন পাড়ায় জন্মগ্রহণ করা সাজাইমং মারমা ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০০৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদানের পর থেকে মাঠপর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তিনি দক্ষ সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। বিগত ১৫ বছরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একাধিক মামলার সম্মুখীন হলেও আইনি লড়াইয়ে তিনি সব কটিতেই নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি কর্মজীবনেও মানবিক সেবার স্বাক্ষর রেখেছেন সাজাইমং। ১৯৯৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিদেশি সংস্থায় প্রজেক্ট অফিসার হিসেবে মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সপরিবারে সশস্ত্র হামলার শিকার হয়েও তিনি দমে যাননি। এমনকি চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও নেপথ্যে থেকে তরুণদের রসদ ও সাহস জুগিয়েছেন।
নিজের রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে সাজাইমং মারমা বলেন, “আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্থায়ী সম্প্রীতি ও সহাবস্থান নিশ্চিত করা। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এলাকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই।”
সম্প্রতি বেতবুনিয়ায় একটি কলেজের বিতর্কিত নাম পরিবর্তনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার কারণে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের আগামী নেতৃত্বে তাঁর অংশগ্রহণ পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।









