পার্বত্য তিন জেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

পার্বত্য তিন জেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট

পার্বত্য তিন জেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট
ছবি সংগৃহীত।

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদে বাঙালি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে ভাইস চেয়ারম্যান পদ চালুর দাবি জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে জোটের খাগড়াছড়ি জেলা প্রধান সমন্বয়ক মো. নিজাম উদ্দিন এ দাবি জানান এবং আসন্ন নির্বাচনের পর অধিকার আদায়ে রাজপথে নামার ঘোষণা দেন।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের দাবি, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের নীতি-নির্ধারণী পদে বাঙালি জনগোষ্ঠী বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে বছরের পর বছর ধরে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছে। এই রাজনৈতিক বৈষম্যের অবসান ঘটাতে এখন রাজপথ ছাড়া বিকল্প নেই।”

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাঙালির প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা কোনো অনুগ্রহ নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এই দাবি পূরণ না হলে তিন পার্বত্য জেলায় সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে শান্তিপূর্ণ কিন্তু দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রকৃত সম্প্রীতি তখনই আসবে যখন প্রশাসন ও রাজনীতিতে সকল জনগোষ্ঠীর ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত মানববন্ধন ও সমাবেশের মতো কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।




মাতামুহুরী কলেজের জমি দখল: আলটিমেটাম, অবরোধের ঘোষণা

মাতামুহুরী কলেজের জমি দখল: আলটিমেটাম, অবরোধের ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সরকারি মাতামুহুরী কলেজ’-এর প্রায় দুই একর সরকারি জমি জবরদখলের প্রতিবাদে এবং চিহ্নিত দখলদার ও ভূমিদস্যু সুমনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা।

​বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি উদ্ধার না হলে আগামী ২৬ জুলাই থেকে পুরো লামা উপজেলা অচল করে দেওয়াসহ অনির্দিষ্টকালের কড়া আলটিমেটামের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

​সমাবেশে বক্তারা জানান, ৩০৫ নম্বর গজালিয়া মৌজার সাপমারা ঝিরি সীমানার ১৭০ নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত সরকারি মাতামুহুরী কলেজের মালিকানাধীন ২ একর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন স্থানীয় মো: সুমন (ওরফে চাঁন্দা সুমন/স্যান্ডেল সুমন)। বক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে উক্ত চিহ্নিত ভূমিদস্যু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি গ্রাস করে রেখেছে।

​সমাবেশ শেষে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. অবিলম্বে উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কলেজের জবরদখলকৃত দুই একর জমি থেকে দখলদার সুমনকে উচ্ছেদ করে কলেজের নিয়ন্ত্রণে বুঝিয়ে দেওয়া।

২. লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে বাদী হয়ে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু মো: সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তারের দাবি।

৩. উদ্ধারকৃত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে পূর্বের ন্যায় কলেজের লোগো সংবলিত সাইনবোর্ড টানানো।

৪.আন্দোলনের বিপক্ষে বা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনকারী মাফিয়া ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিত্তিহীন পাল্টা মামলা খারিজ করা।

৫. জমি দখলের সময় অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শিক্ষার্থীদের সামনে জবাবদিহি করা।

শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া না হলে তারা নিম্নলিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধ্য হবেন,​কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সকল ক্লাস,পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ করা।

অধ্যক্ষকে তাঁর বাসভবনে অবরুদ্ধ করা এবং অধ্যাপকদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়া।​লামা-চকরিয়া প্রধান সড়কসহ উপজেলার সকল প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা।
​প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন পালন।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

​উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মসূচিতে সরকারি মাতামুহুরী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মোনায়েম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামসুল আলম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম খাঁ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইয়াসির আরাফাত, বাংলা বিভাগের প্রভাষক আকতার কামাল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মনজুর-ই-এলাহী এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক সুমাইয়া আক্তার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। 
কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন। কর্মসূচিতে কলেজের সভাপতি মো: তুষার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন ও সদস্য মো: রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রনেতা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।




লামায় সরকারি মাতামুহুরী কলেজের জমি দখলের প্রতিবাদে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম ও রাজপথ অবরোধের ঘোষণা

লামায় সরকারি মাতামুহুরী কলেজের জমি দখলের প্রতিবাদে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম ও রাজপথ অবরোধের ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান 'সরকারি মাতামুহুরী কলেজ'-এর প্রায় দুই একর সরকারি জমি জবরদখলের প্রতিবাদে এবং চিহ্নিত দখলদার ও ভূমিদস্যু সুমনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি উদ্ধার না হলে আগামী ২৬ জুলাই থেকে পুরো লামা উপজেলা অচল করে দেওয়াসহ অনির্দিষ্টকালের কড়া আলটিমেটামের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

সমাবেশে বক্তারা জানান, ৩০৫ নম্বর গজারিয়া মৌজার সাপমারা ঝিরি সীমানার ১৭০ নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত সরকারি মাতামুহুরী কলেজের মালিকানাধীন ২ একর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন স্থানীয় মো. সুমন (ওরফে চাঁন্দা সুমন/স্যান্ডেল সুমন)। বক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে উক্ত চিহ্নিত ভূমিদস্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি গ্রাস করে রেখেছে।

সমাবেশ শেষে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয়: ১. অবিলম্বে উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ: ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কলেজের জবরদখলকৃত দুই একর জমি থেকে দখলদার সুমনকে উচ্ছেদ করে কলেজের নিয়ন্ত্রণে বুঝিয়ে দেওয়া। ২. লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে বাদী হয়ে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু মো. সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তাঁকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তারের দাবি। ৩. উদ্ধারকৃত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে পূর্বের ন্যায় কলেজের লোগো সংবলিত সাইনবোর্ড টানানো। ৪. আন্দোলনের বিপক্ষে বা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনকারী মাফিয়া ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিত্তিহীন পাল্টা মামলা খারিজ করা। ৫. জমি দখলের সময় অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শিক্ষার্থীদের সামনে জবাবদিহি করা।

শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া না হলে তাঁরা নিম্নলিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধ্য হবেন:

  • কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সকল ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ করা।

  • অধ্যক্ষকে তাঁর বাসভবনে অবরুদ্ধ করা এবং অধ্যাপকদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়া।

  • লামা-চকরিয়া প্রধান সড়কসহ উপজেলার সকল প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা।

  • প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন পালন।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মসূচিতে সরকারি মাতামুহুরী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মোনায়েম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামসুল আলম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম খান, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইয়াসির আরাফাত, বাংলা বিভাগের প্রভাষক আকতার কামাল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মনজুর-ই-ইলাহী এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক সুমাইয়া আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে এতে অংশ নেন। কর্মসূচিতে কলেজের সভাপতি মো. তুষার, সিনিয়র সহসভাপতি মো. হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন ও সদস্য মো. রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রনেতা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।