পারকি পর্যটন কর্পোরেশনে সিকিউরিটি ইচার্জের উপর হামলা

আনোয়ারা উপজেলার পারকি সমুদ্র সৈকতে নির্মাণাধীন পর্যটন কর্পোরেশনে সিকিউরিটি ইনচার্জের সাথে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধির লোকজন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে সিকিউরিটি ইনর্চাজ আবদুল হক আহত হয়। এঘটনায় দুইপক্ষেই থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানান।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, রায়পুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আবদুল হক পর্যটন কর্পোরেশনে সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে কাজ করেন। অপর দিকে বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা জাবেদ হোসেন (২৪) পর্যটন কর্পোরেশনের নির্মাণকাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে মতবিরোধ হয়। রবিবার দুপুরে সিকিউরিটি ইনচার্জ আবদুল হক ও রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি জাবেদ হোসেন বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাদের সমর্থকরাসহ হাতাহাতি ও মারামারি করে। এতে আবদুল হক গুরুতর আহত হয়। এঘটনায় আবদুল হক ও জাবেদ হোসেন বাদী হয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেন।
এবিষয়ে সিকিউরিটি ইনচার্জ আবদুল হক বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশন ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর, আমি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, জাবেদের নেতৃত্বে মো. এমরান(২৮),নঈম(২৬) ও জেবল হোসেন(৫৫)সহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী পর্যটন কর্পোরেশনের মালামাল নিয়ে যেতে চাইলে আমি তাদের বাঁদা দিয়। এসময় তারা আমার উপর হামলা করে। আমি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছি।
অপরদিকে রাজ কর্পোরেশনের প্রতিনিধি জাবেদ হোসেন, বলেন, আমার নির্মাণ কাজের একটি তেরপাল খোঁজে না পেলে আমি সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে আবদুল হকের কাছে জানতে চায়, এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর হামলা করেন।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পারকি পর্যটন কর্পোরেশন কর্ণফুলী থানার অধিনে, তারপরও তাদের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে।






