পটিয়ায় বিদ্যুৎ অফিসে প্রি-পেইড মিটারে টোকেন যন্ত্রণা: গ্রাহকদের ভিড়
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

পটিয়ায় বিদ্যুৎ অফিসে প্রি-পেইড মিটারে টোকেন যন্ত্রণা: গ্রাহকদের ভিড়

পটিয়ায় বিদ্যুৎ অফিসে প্রি-পেইড মিটারে টোকেন যন্ত্রণা: গ্রাহকদের ভিড়
ছবি সংগৃহীত।

হঠাৎ বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য বৃদ্ধি এবং প্রি-পেইড মিটারে নতুন ট্যারিফ কার্যকরের পর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পটিয়ার হাজারো গ্রাহক। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পর মিটার রিচার্জ সংক্রান্ত নানা জটিলতা দেখা দেওয়ায় গত কয়েকদিন ধরে পটিয়া বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের কার্যালয়ে  ১৯ জুন  গ্রাহকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা রিচার্জ করলে যে পরিমাণ ইউনিট পাওয়া যেত, বর্তমানে একই পরিমাণ টাকায় তুলনামূলক অনেক কম ইউনিট পাওয়া যাচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এর পাশাপাশি রিচার্জকৃত টোকেন নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতেও নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন গ্রাহকরা। একটি টোকেনের বিপরীতে প্রায় ২২০ থেকে ২৪০ সংখ্যার দীর্ঘ কোড মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং প্রযুক্তি সম্পর্কে কম ধারণাসম্পন্ন গ্রাহকদের জন্য বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

অনেকেই বারবার নম্বর প্রবেশ করেও সফল না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ অফিসে এসে কর্মকর্তাদের সহায়তা নিচ্ছেন। ফলে প্রতিদিনই অফিস প্রাঙ্গণে দীর্ঘ লাইন ও গ্রাহকদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

পটিয়া পৌরসভার একাধিক গ্রাহক জানান, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এমনিতেই তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। তার ওপর দীর্ঘ টোকেন কোড প্রবেশের ঝামেলা এবং রিচার্জ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। তারা দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং প্রক্রিয়াটি আরও সহজ করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় গ্রাহক সুফি মোহাম্মদ রেজা বলেন, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও প্রি-পেইড মিটারের জটিলতায় আমরা অনেক হিমশিম খাচ্ছি। মিটারে একসঙ্গে এত দীর্ঘ নম্বর প্রবেশ করাতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। অনেক সময় চেষ্টা করেও সমাধান করতে পারিনি। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে পটিয়া বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের কমপ্লেইন্ট অ্যাটেনডেন্ট মোহাম্মদ আতাহার জানান, নতুন ট্যারিফ কার্যকর এবং প্রযুক্তিগত হালনাগাদের কারণে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘ টোকেন নম্বর ব্যবহারের প্রয়োজন হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন শত শত গ্রাহক মিটার রিচার্জ ও টোকেন সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অফিসে আসছেন। আমরা দ্রুততার সঙ্গে তাদের সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছি। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করছি।

বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, নতুন ট্যারিফ ও প্রযুক্তিগত আপডেটের কারণে কিছু গ্রাহকের ক্ষেত্রে দীর্ঘ টোকেন নম্বর ব্যবহার করতে হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বর্তমানে পটিয়া বিদ্যুৎ অফিসে প্রতিদিন শত শত গ্রাহক বিভিন্ন অভিযোগ ও টোকেন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান খুঁজতে ভিড় করছেন। ফলে জনমনে অসন্তোষ ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা।
 




বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে- শাহজাহান চৌধুরী এমপি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে- শাহজাহান চৌধুরী এমপি
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় পার্টির সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় সাতকানিয়ার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নজিরবিহীন ক্ষতির মুখে পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অসংখ্য সড়ক, কালভার্ট ও সেতুর সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করতে পারছেন না, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও এলজিইডির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সব ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুন:র্নিমাণ করা হবে। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবই এখন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

বুধবার বিকালে সাতকানিয়া ঢেমশা ইউনিয়নের কেরানীহাট-হাঙ্গুরমুখ সড়কের কার্তিকের দোকান এলাকায় বন্যায় ধসে যাওয়া অংশ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। পাশাপাশি দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সবুজ কুমার দে, সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুল হক, ঢেমশা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নেজাম উদ্দিন, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবুল হিসাম মোহাম্মদ জাবেদ, নলুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি আবুল বাশার, ইউপি সদস্য পলাশ সেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।




লোহাগাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

লোহাগাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. দেলোয়ার (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পেশায় একজন ড্রাইভার ছিলেন।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ব পদুয়া দিঘির পাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দেলোয়ার পূর্ব পদুয়া দিঘির পাড়া এলাকার জরির বর বাড়ির বাসিন্দা মাহমদ মিয়ার ছেলে।

প্রতিবেশী ব্যবসায়ী মো. সাইফুল জানান, ঘটনার দিন দেলোয়ার বাড়ির ছাদে মুরগির ফার্মে কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ভৌমিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি।
 




বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ পরিবারের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের নগদ অর্থ বিতরণ

বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ পরিবারের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের নগদ অর্থ বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

বাঁশখালীতে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে মিয়ারবাজারস্থ ইসলামী আন্দোলন কার্যালয়ে ৭০ জন ক্ষতিগ্রস্ত আলেম ও তাঁদের পরিবারের কাছে এই অর্থ হস্তান্তর করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুফতি দেলোয়ার হোসাইন সাকী। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি মুজাহিদ ছগির আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি আলহাজ মুহাম্মদ ইকবাল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি ও বাঁশখালী আসনে হাতপাখার প্রার্থী মাওলানা হাফেজ রুহুল্লাহ তালুকদার, মাওলানা ইয়াছিন আমিনী, মাওলানা মুফতি নুরুল আমিন, মাওলানা ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মোহাম্মদ ইউনুস, মাওলানা মোজাম্মিলুল হক ও মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।