নির্বাচিত হলে উপকূলবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করব: চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসমাইল বিন মনির

রাজনৈতিক প্রতিকূল অবস্থায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নির্দেশনায় দেশ রক্ষা, গণতন্ত্রের মুক্তি, দেশ নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে রাজপথে কাজ করেছি। এসময় আমার ইউনিয়নের ছাত্র-জনতা আমাকে প্রেরণা ও সাহস দিয়ে আমার পাশে থেকেছে। আমার দল এখন ক্ষমতায়, এখন আমার দায়িত্ব জনগণের পাশে থাকা। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের সেবা করার সুযোগ নেওয়ার। কথা গুলো বলছিলেন আনোয়ারা উপকূলীয় এলাকা রায়পুর ইউনিয়নে জন্ম নেওয়া দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা মো. ইসমাইল বিন মনির। উপকূলীয় বাসীর ভাগ্য উন্নয়নের অঙ্গীকার নিয়ে লড়তে চায় রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে।
তিনি আরো বলেন, উপকূলীয় জনপদ রায়পুর ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে আমি এ অঞ্চলের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। উপকূলীয় এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ ও সুপেয় পানির সঙ্কটের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি এই লোনাপানির সন্তান। জন্ম ও বেড়ে ওঠা নদীর উপকূলে। আমাদের লড়াই প্রকৃতির সাথে। তাই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।' তিনি একটি আধুনিক ও স্মার্ট মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, যেখানে কৃষি, মৎস্য ও শিক্ষা খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা ইসমাইল বিন মনির আরো বলেন, 'আমি চাই অবহেলিত রায়পুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে। যেখানে থাকবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন। ইউনিয়ন পরিষদ হবে জনগণের সেবার কেন্দ্র-যেখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। উপকূলবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করব এবং আমার ইউনিয়নের মানুষকে আমি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও কর্মসংস্থানমুখী হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।'






