নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত এলাকায় অবৈধ গরু আটকে বিজিবি-চোরাকারবারী"সংঘর্ষ, আহত ২ বিজিবি ও এক চোরাকারবারী

নাইক্ষ্যংছড়ির ফুলতলীতে মিয়ানমারের অবৈধ গরু আটকে
বিজিবি-চোরাকারবারী সংঘর্ষে আহত হয়েছে
২ বিজিবি ১ চোরাকারবারী।
আহত বিজিবি সদস্যের নাম শরীফ(৩৪) ও রাজু( ৩৫) । আর আহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ ইসমাইল প্রকাশ পুতিয়্যা ( ৪০)। সে পার্শ্ববর্তী রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ডাক্তারকাটা এলাকার মো:ইদ্রিসের পুত্র।
ঘটনাটি ঘটে,সোমবার (৯ মার্চ) ২০২৬ ইং) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবি'র দায়িত্ব পূর্ণ এলাকা এবং ফুলতলি বিওপির সীমান্ত পিলার-৪৮ হতে ৪০০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রেইক্যাছড়া নামক স্থানে।
বিজিবি সুত্র জানান,তারা সকালে খবর পার এ সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বেশ কিছু বার্মিজ গরু পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসছে। এ সময় ফুলতলী বিওপির একদল সদস্য ঘটনা স্থলে গিয়ে বেশ কিছু গবাদী পশু জব্দ করার চেষ্টা করে । এতে বার্মিজ গরু পাচারকারী শ্রমিকরা বিজিবির সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বিজিবির দিকে তেড়ে আসলে বিজিবি আত্মরক্ষায় গুলি চালালে সবাই পালিয়ে গা ঢাকা দেয়। কিন্তু বেশ'জন চোরাকারবারী বিজিবির মুখোমুখি হয়ে যায়। বিজিবি মনে করেছে এরা বিজিবিকে হামলা করতে আসছে। এভাবে আত্মরক্ষার্থে ১ রাউন্ড গুলি ছুড়েঁ বিজিবি। গুলিটি বিদে ইসমাইলের তলপেটে।
আহত ইসমাইলের স্বজন মোহাম্মদ আবদুল মালেক বলেন,তার চিকিৎসা চলছে । সে ককসবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা এখনও শংকামুক্ত নন।
অপর দিকে বিজিবি ২ সদস্য
ককসবাজারস্থ একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে ১১ বিজিবি অধিনায়ক লে:কর্ণেল এস এম কপিল উদ্দিন কায়েস
৯ মার্চ সকাল ৭ টায় ফুলতলী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ রেইক্কাশিয়া পোষ্ট এলাকায় চোরাচালান অভিযান পরিচালনার সময় ৩০-৪০টি এক ঝাক অবৈধ বিদেশি গরু চোরাকারবারীদেরকে বিজিবি টহলদল কর্তৃক চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি সোঠা নিয়ে বিজিবি টহল দলের উপর অতর্কিত হামলা করে। চোরাকারবারীদের অতর্কিত হামলায় ২জন বিজিবি সদস্য এবং বিজিবির প্রতিরোধে একজন চোরাকারবারী আহত হয়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।









