নাইক্ষ্যংছড়িতে রোগীতে ঠাসা হামের ওয়ার্ড়,ভতুড়ে পরিবেশে হাসপাতাল

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি হাসপাতালে রোগিতে ঠাসা হামের জন্যে করা বিশেষ ওয়ার্ড়। গত ২ সপ্তাহ ধরে এ অবস্থা বিরাজ করছে এখানে।
ডাক্তারদের অনুপস্থিতিতে নার্সরা নিবিড় পরিচর্যায় রত আছেন। তারা অনেকটা ক্লান্ত হলেও রোগীর সেবায় তারা আন্তরিক জানালেন অভিভাবকরা।
সরেজমিন গিয়ে রোববার সন্ধ্যায় এ অবস্থা জানতে পারেন এ প্রতিবেদক।
হাসপাতাল সুত্র জানান,হাসপাতালটি মূলত বান্দরবান জেলা শহর থেকে ১২২ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত উপজেলায়। এই হাসপাতালটির চতুর্পাশে ৫ টি ইউনিয়নের দেড় লাখ মানুষ বসবাস করে। ককসবাজার সদর হাসপাতাল ২৮ কিলোমিটার দুরে হওয়ায় গরীব অসহায় রোগীরা এখানে চিকিৎসা নেন। হামের রোগীদের বেলায় তাই ঘটে।
তথ্য মতে,হাসপাতালের হামের রোগীদের জন্যে করা বিশেষ ওয়ার্ড়টিতে হামে আক্রান্ত শিশু থেকে নারী-পুরুষ সবাই রয়েছে। তাদের একজন ছৈয়দ আলম (৫৯)। তিনি বলেন আজ ৩ দিন ধরে তিনি হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন।
এভাবে ওয়ার্ড়ে ভর্তি হওয়া প্রত্যেক রোগী ও তাদের অভিভাবকরা একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এ প্রতিবেদককে। আরো জানা গেছে, হাম,মৌসুমী জ্বর ও নিউমোনিয়ার প্রকোপে এখন পুরো নাইক্ষ্যংছড়িবাসী আতংকে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো: আবুল মনজুর বলেন,ক'দিন আগে হামের রোগী ছিলো অনেক। মাঝখানে কিছুটা কম ছিল। আজ আবারো বেড়েছে কয়েকজন।
তিনি আরো বলেন হাম নিশ্চিত হতে নমুনা ঢাকায় পাঠান তারা। কয়েক দিন পর রিপোর্ট পেলে নিবিড় চিকিৎসা দেয়া হয়।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় এই হাসপাতাল পরিদর্শনকালে কযেকজন রোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, হাসপাতালের অধিকাংশ অংশ অন্ধকার-ভূতুড়ে অবস্থা। পাহাড়ি জনপদে সাপ-বিচ্চু-বা অন্যান্য বিষাক্ত কিছু এ অন্ধকারে রোগী বা তাদের স্বজনদের আক্রমন করতে পারে। তাই এ সব গলি বা এলাকায় সন্ধার পর লাইটিং ব্যবস্থা দ্রুত করা উচিৎ। নচেৎ দুর্ঘটনার আশংকা করছেন তারা।









