দক্ষিণের ৮ উপজেলায় বাড়তি ভাড়ায়ও যাত্রী ভোগান্তি!

দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা,বাঁশখালী,চন্দনাইশসহ আট উপজেলার বিভিন্ন সড়কে ঈদের এক সপ্তাহ পরেও কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়তি বাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব সড়কে বিশেষ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করছেন। অনেকে বাড়তি ভাড়া দিয়েও গাড়ি পাচ্ছেনা। এতে করে ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন যাত্রীরা।
ঈদুল ফিতরের সাত দিন ছুটি শেষে গত ২৩ তারিখ থেকেই বিভিন্ন পেশার মানুষ তাদের কর্মস্থলে ফেরা শুরু করেন। আনোয়ারার চাতুরী চৌমহনী থেকে চট্টগ্রাম নগরসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও ক´বাজারের পেকুয়া, মহেশখালীর যাত্রীরা যাতায়াত করেন। স্বাভাবিক সময়ে চাতরী চৌমহনী থেকে মইজ্জারটেক সিএনজি অটোরিকশার লোকাল ভাড়া ২০ টাকা হলেও এখানে আদায় করছেন ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এভাবে অন্যান্য স্থানের বাড়াও দ্বি-গুন আদায় করছেন চালকরা। ঈদের বকশিশ এবং জ্বালানি তেল ও গ্যাস পেতে ভোগান্তির অজুহাত দেখিয়ে বাস চালকদের পাশাপশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করছেন বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।
পোশাক কারখানার শ্রমিক জসিম উদ্দিন জানান, চাতুরী থেকে চাক্তাই নতুন ব্রিজ সিএনজিচালিত অটোরিকশার লোকাল ভাড়া ৪০ টাকা হলেও এখন ৬০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত দাবী করছে, মইজ্জারটেকে ২০ টাকারস্থলে ৪০ টাকা করে আদায় করছে।
সিএনজি অটোরিকশাচালক দিদার আলম জানান, তেল ও গ্যাসের ভোগান্তির কারণে সড়কে গাড়ি কমেগেছে,কিন্ত যাত্রী বেশি। তাই বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন তারা।
এবিষয়ে আনোয়ারা চাতুরী চৌমহনী ট্রাপিক ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে কল দিলেও পাওয়া যায়নি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীপক ত্রিপুরা বলেন, বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোন সুযোগ নেই, বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ট্রাপিক পুলিশকে নির্দেশণা দেওয়া হবে।






