থানচিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন

থানচিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

থানচিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তায় প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় টানা বৃষ্টিজনিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বলিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে, বিএনকেএস এনজিওর আয়োজনে এবং ক্রাইসিস ফান্ড বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, বলিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াঅং মারমা। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় বলিপাড়া ইউনিয়নের অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের পাশে দাঁড়াতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রকল্পটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় বিএনকেএস এনজিওর সহকারী পরিচালক উবানু মারমা বলেন, ক্রাইসিস ফান্ড বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, থানচি প্রেসক্লাবের সভাপতি মংবোওয়াংচিং মারমা (অনুপম), বিএনকেএস এনজিওর প্রকল্প কর্মকর্তা সুগত জীবন চাকমা, থানচি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রেমবো ত্রিপুরা, মহিলা ইউপি সদস্য মুইহ্লাপ্রু, ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য ক্যসাপ্রু মারমা এবং ইউনিয়ন পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও সভায় স্থানীয় সাংবাদিক, এলাকার কারবারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা পরিচালনা করেন, বিএনকেএস এনজিওর ভোকাল পার্সন ও প্যারামেডিক উবাথোয়াই মারমা।
সভায় বক্তারা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”