তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’: বান্দরবানে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন

তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’: বান্দরবানে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’: বান্দরবানে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ তুলে এনে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বান্দরবানে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ আয়োজনকে সামনে রেখে  প্রাতিষ্ঠানিকভাবে  প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ ব্রিফিংয়ে জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবু তালেব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতন্য রাজবংশী, জেলা ক্রীড়া অফিসার রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানান, আগামী ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে একযোগে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’-এর উদ্বোধন করবেন। একই সময় বান্দরবান জেলা পর্যায়েও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।
তিনি আরও জানান, ২ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন ভেন্যুতে প্রতিযোগিতাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। এ আয়োজনে বান্দরবান জেলার সাতটি উপজেলা ও পৌরসভাসহ মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করে পর্যায়ক্রমে জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত করা। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি তাদের মেধা ও ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই, আর এ ধরনের প্রতিযোগিতা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে সেরা প্রতিভা বাছাই করে জেলা দল গঠন করা হবে। পরবর্তীতে এই দল চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে, যেখানে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার দলগুলো অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদরা জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবে।
এবারের আসরে ফুটবল, টি-টেন ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, অ্যাথলেটিক্স এবং মার্শাল আর্ট (কারাতে, তায়কোয়ান্দো ও জুডো)সহ বিভিন্ন ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া ভবিষ্যতে এসব প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসা মেধাবী খেলোয়াড়দের জন্য আবাসিক প্রশিক্ষণ, ক্রীড়াবৃত্তি, ভাতা এবং বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ নিশ্চিত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”