টেকনাফে অভিযানে মানবপাচারকারী শাকের মাঝি গ্রেপ্তার
টেকনাফে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ১১ মামলার পলাতক আসামি ও এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মিয়া ওরফে শাকের মাঝিকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডারডেইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শাকের মাঝি সাবরাং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মুন্ডারডেইল এলাকার কবির আহমদের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের নির্দেশনা ও টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের তদারকিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুকান্ত চৌধুরীর নেতৃত্বে এসআই মোঃ মোরশেদ আলমসহ পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মুন্ডারডেইল এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই দুর্র্ধষ অভিযান চালায়। সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
স্থানীয় জনশ্রুতি ও বিভিন্ন মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শাকের মাঝি টেকনাফের অন্যতম শীর্ষ মানবপাচারকারী এবং সম্প্রতি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নৌকা ডুবির ঘটনার মূল হোতা। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালনসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে আত্মগোপনে থেকে এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছিল।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।







