জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

আজ (শনিবার) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এবং জনগণের কাছে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি, এসব স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয় বরং জনগণের সঙ্গে করা আমাদের চুক্তি। জনগণ আমাদের ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সুতরাং, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচনী ইশতেহার এবং জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা, প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে বদ্ধপরিকর।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিয়ামের প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত অগ্রযাত্রার দিন তারিখগুলো প্রমাণ করে দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপি সরকার বরাবরই একটি সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন দেখতে চেয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেখতে চায়। সুতরাং আজ বিয়াম ফাউন্ডেশনের ট্রেনিং কাম ডরমিটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কেবল একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নয় বরং এটি প্রশাসনিক সক্ষমতার উন্নয়ন, প্রশাসনিক নেতৃত্ব গঠন এবং মানবসম্পদ বিকাশের একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
বিয়াম দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজ যে ট্রেনিং কাম ডরমিটরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হচ্ছে, তা ভবিষ্যতের প্রশাসনিক নেতৃত্ব গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই ভবন শুধু একটি অবকাঠামো নয়; এটি হয়ে উঠুক জ্ঞানচর্চা, নেতৃত্ব বিকাশ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্র। দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি বিয়ামের অন্যতম একটি লক্ষ্য।




‘এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আজকে আপনি শিক্ষামন্ত্রী’: হাসনাত আবদুল্লাহ

‘এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আজকে আপনি শিক্ষামন্ত্রী’: হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রী সব জায়গায় গিয়ে বলেন- নকল আর চলবে না। ২০২৬ এর শিক্ষার্থীরা আপনাদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছে- এই স্ট্যান্টবাজি আর বাংলাদেশে চলবে না। হাঁটুসমান পানিতে, বুকসমান পানিতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ডুবিয়ে ডুবিয়ে আপনি পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেছেন। একটা পরীক্ষার প্রশ্ন আপনি প্রণয়ন করেছেন, তার মধ্যে আপনি ভুল রেখে দিয়েছেন। একজন পরীক্ষার্থীর তখন মানসিক অবস্থা কী ধরনের হয়, একবার চিন্তা করেন। আপনারা একবার দুঃখ প্রকাশের প্রয়োজনও বোধ করলেন না, বরং এই শিক্ষার্থীদের আপনারা বলছেন মাদকাসক্ত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, শিক্ষামন্ত্রী, আপনি যাদেরকে ফার্মের মুরগি বলছেন, এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আজকে আপনি শিক্ষামন্ত্রী হয়েছেন। এই ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় নেমে এসেছে বলেই শিলং থেকে এসে সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়েছেন। এই ফার্মের মুরগি রাস্তায় এসেছে বলেই আজকে লন্ডন থেকে এসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব করছেন। শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো, শিক্ষার্থীরা গিনিপিগ নয়। শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট বন্ধ করুন। কারণ আপনাদের সন্তানরা দেশে পড়াশোনা করে না, তাদের বিদেশে রেখে পড়াশোনা করান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল সংসদে দাঁড়িয়ে দম্ভের সঙ্গে বললেন, সংবিধান সংস্কার কমিটি— এটা নাকি কোনো সংবিধানে নেই। এটা যদি সংবিধানে না থেকে থাকে, ২০২৬ সালের নির্বাচনও কোনো সংবিধানে ছিল না। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০২৯ সালে। সংবিধান অনুযায়ী আপনার থাকার কথা ছিল শিলংয়ে। সংবিধান অনুযায়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর থাকার কথা ছিল লন্ডনে। সংবিধান অনুযায়ী আপনার নেতাকর্মীর থাকার কথা ছিল ধানক্ষেতে। সংবিধান অনুযায়ী আপনার নেতাকর্মীর চালানোর কথা ছিল ঢাকা শহরে রিকশা। এই সংবিধানের বিরুদ্ধে গিয়ে ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছে, এই সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নতুন বাংলাদেশের অভিমুখ তারা সেট করেছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আপনারা ছাত্র-জনতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, কক্সবাজার, সাতকানিয়া, আনোয়ারা, বাঁশখালী— এই সমগ্র অঞ্চলের আমার ভাইয়েরা বন্যার মধ্যে কষ্ট পাচ্ছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়- দীর্ঘ সাত দিনের বেশি বন্যা আক্রান্ত হলেও এখনো পর্যন্ত সব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য-সহযোগিতা পৌঁছায়নি।

সোনারগাঁয়ে এমপির ছেলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এই সোনারগাঁয়ে যিনি এমপি রয়েছেন, তার ছেলে চাঁদাবাজির কারণে থানায় গিয়ে মুচলেকা দিতে হয়েছে। বাপ হচ্ছে এমপি, ছেলে করে চাঁদাবাজি, থানায় গিয়ে দেয় মুচলেকা।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সারা বাংলাদেশে গ্যাসের হাহাকার, কিন্তু আমরা দেখলাম রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় গ্যাস লাইনের অবৈধ সংযোগ নিয়ে কিছু কারখানা প্রতি বছর লাখ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। আরেকটা গ্রুপ রয়েছে, বসুন্ধরা—তারা শত শত মাইল জমি দখল করে নিচ্ছে এবং তাদের কিছু মিডিয়ার মাধ্যমে সেসবের পক্ষে অবস্থান নেওয়া হচ্ছে।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, প্রতি ২০০ টাকা আয় করলে ৫০ টাকা বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলকে চাঁদা দিতে হয়, স্থানীয় এমপিদের চাঁদা দিতে হয়। এই চাঁদাবাজির বাংলাদেশ আর চলবে না। আপনারা যদি মনে করেন এই চাঁদাবাজির যাত্রা অব্যাহত রাখবেন, মনে করার দরকার নেই এভাবে বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারবেন। হাসিনার হয়তো ১৭ বছর লেগেছে। প্রতি বছর জুলাই হয় না, কিন্তু যখন জুলাই হয়, তখন পালানোর জায়গা পাবেন না।

পথসভায় হাসনাত আবদুল্লাহ সোনারগাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে তুহিন মাহমুদ, সোনারগাঁ পৌরসভার মেয়র পদে মোস্তফা এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে শাকিল সাইফুল্লাহকে এনসিপির পক্ষ থেকে সমর্থন দেন। 




বিরোধী দলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী

বিরোধী দলের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতা দেখা যাচ্ছে: রিজভী
ছবি সংগৃহীত।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিরোধী দল নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে। অথচ তাদের নিজেদের মধ্যেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে দেশবিরোধী কোনও কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মাধ্যমে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


রিজভী বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রী যুগোপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশকে আর পরনির্ভরশীল অবস্থায় রাখা হবে না।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা উল্লেখ করেন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে আত্মনির্ভরশীল ও সক্ষম রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।


রিজভী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে গুম নেই, ক্রসফায়ার নেই এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাও নেই। আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।




এ জাতি দিল্লির গোলাম হবে না: রিজভী

এ জাতি দিল্লির গোলাম হবে না: রিজভী
ছবি সংগৃহীত।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা নির্বাচন কেড়ে নিয়ে দুঃশাসন ও রক্তপিপাসু সরকার গঠন করেছিলেন। আবার গুমের রাজত্ব ফিরে আসবে, জনগণ সেটা সমর্থন দেবে? না। একটা মুক্তিযুদ্ধে ২ লাখ মা-বোন নির্যাতিত হলেন, সেই জাতিকে আপনারা গোলাম বানাবেন? দিল্লির কৃতদাস বানাবেন? এটা হবে না। এ দেশের জনগণ হতে দেবে না।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মিছিলটি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড় ঘুরে ফের নয়াপল্টনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

রিজভী বলেন, বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন যৌথভাবে প্রতিবাদ মিছিল করেছে। মিছিলের উদ্দেশ্য হলো ফ্যাসিবাদের উঁকি দেওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করা। যারা জনগণের জীবন থেকে সুন্দর ভোর, সূর্যের আলো, স্বাভাবিক ও সুস্থ জীবনযাপন এবং মানুষের বাঁচার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, তারা এখন নানা কায়দায় তাদের চুরি ও পাচার করা অর্থ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ম্যান্ডেটে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। শেখ হাসিনা যে নির্বাচন কেড়ে নিয়ে দুঃশাসন ও রক্তপিপাসু সরকার গঠন করেছিলেন, সেই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ম্যান্ডেটের মধ্য দিয়ে গঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের বেড়াজাল তৈরির চেষ্টা চলছে।

আওয়ামী লীগের উদ্দেশে রিজভী বলেন, আমাদের যখন ১৭ বছর দমাতে পারেননি, বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছেন, র‍্যাব পাঠিয়েছেন, গোয়েন্দা পুলিশ পাঠিয়েছেন, জনির মতো অসংখ্য জাতীয়তাবাদের সৈনিককে হত্যা করেছেন। ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাইফুল ইসলাম হিরুসহ অসংখ্য নেতাকে গুম করেছেন। আবার গুমের রাজত্ব ফিরে আসবে, জনগণ সেটা সমর্থন দেবে? না। আবার ক্রসফায়ার ফিরে আসবে, জনগণ সেটাকে সমর্থন দেবে? না।

তিনি দাবি করেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের চার মাসে কোনো গুম, ক্রসফায়ার বা মিথ্যা মামলা হয়নি। তিনি বলেন, কোনো গুমের ঘটনা ঘটেছে? না। কোনো ক্রসফায়ার হয়েছে? না। কোনো মিথ্যা মামলায় কেউ বন্দি হয়েছে? না। শুধু দুষ্কৃতকারী, সমাজ অপরাধীরা ছাড়া।

দেশ অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি, শান্তি, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে। তবে তা আর সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আজকে শুধু নয়, প্রতিদিন আমাদের সজাগ থাকতে হবে। ওরা নানা ধরনের উসকানিমূলক কাজ করবে। শুধু তারা নয়, তাদের পক্ষের অনেক মহল আজ এমন কথাবার্তা বলছেন, যেটা দেশবিরোধী, সার্বভৌমত্ববিরোধী।

রিজভী বলেন, একটা মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ জীবন গেছে, ২ লাখ মা-বোন নির্যাতিত হলেন, সেই জাতিকে আপনারা গোলাম বানাবেন? দিল্লির কৃতদাস বানাবেন? এটা হবে না। এ দেশের জনগণ হতে দেবে না।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বপ্রিয় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিবাদের যে কোনো ইঙ্গিত ও অশুভ কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে হবে।

এ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রফিকুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।