জিয়া উদ্যানে স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত খালেদা জিয়া
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন

জিয়া উদ্যানে স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত খালেদা জিয়া

জিয়া উদ্যানে স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত খালেদা জিয়া
ছবি সংগৃহীত।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউতে তার জানাজা সম্পন্ন হয়, যাতে অংশ নেন কয়েক লাখ মানুষ।

মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই 'আপসহীন' নেত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।

বুধবার বিকেলে জানাজা শেষে মরহুমার কফিন রাষ্ট্রীয় সম্মানে নিয়ে যাওয়া হয় জিয়া উদ্যান চত্বরে। সেখানে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। দাফনকালে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, পরিবারের সদস্য এবং পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৮৪ সাল থেকে আমৃত্যু বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের জন্য তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য স্থান করে নিয়েছেন।

তার মৃত্যুতে দেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। জানাজায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ গভীর শোক প্রকাশ করেছে।




রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করছেন কি না, এই বিষয়ে সরকারের কোনো কিছু বলার নেই। তবে তার স্বাস্থ্যগত বিষয়ে চাইলে তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করতে পারেন। এ বিষযে সাংবিধানিক পদ্ধতি রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের করণীয় কিছু নেই।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে সচিবালয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন প্রকল্প ও পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে তুলতে—এ সংক্রান্ত একটি বৈঠক অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। আন্তমন্ত্রণালয় এই বৈঠকে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। সেটি যদি ঘটনা হয়, তখন আমরাও দেখব।

বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কোনো ফোনালাপ হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে নিয়ম অনুযায়ী স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। এরপর পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।

এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন কক্সবাজারকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে। যার মাধ্যমে কক্সবাজারকে একটি পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এছাড়া গভীর সমুদ্রকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আরও কীভাবে লাভবান হতে পারে সে ব্যাপারে আরো বড় প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার।




তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ মোদির

তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ মোদির
ছবি সংগৃহীত।

আগামী সেপ্টেম্বরে আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছে (ভারত সফরের আমন্ত্রণপত্র)। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি।”

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতে ছাত্র আন্দোলন চলছে। দেশটিতে অনেক বাংলাদেশি রয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ আছে কি না?—জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, “বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে আমাদের এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় থাকুক সেটাই আমরা চাই। একটি গণতান্ত্রিক সরকার ও রাষ্ট্র হিসেবে আমরা আশা করব, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে; তারা তাদের জনগণের অবস্থান দেখবে এবং সমস্যা সমাধানের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাবে।”




পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
ছবি সংগৃহীত।

পুলিশের ডিআইজি এবং অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ ১ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তারা বিধি অনুযায়ী অবসর সুবিধা পাবেন।

অবসরে পাঠানো ১৭ কর্মকর্তার তালিকা এখানে দেখুন।