জিয়া উদ্যানে স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে সমাহিত খালেদা জিয়া

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া এভিনিউতে তার জানাজা সম্পন্ন হয়, যাতে অংশ নেন কয়েক লাখ মানুষ।
মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই 'আপসহীন' নেত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা ও হৃদরোগসহ বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন।
বুধবার বিকেলে জানাজা শেষে মরহুমার কফিন রাষ্ট্রীয় সম্মানে নিয়ে যাওয়া হয় জিয়া উদ্যান চত্বরে। সেখানে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। দাফনকালে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, পরিবারের সদস্য এবং পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৮৪ সাল থেকে আমৃত্যু বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্বের জন্য তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য স্থান করে নিয়েছেন।
তার মৃত্যুতে দেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। জানাজায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ গভীর শোক প্রকাশ করেছে।







