জিআই ট্যাগ বানালো সরকার, ব্যবহার করতে হবে পণ্যের প্রচার-বাজারজাতে
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

জিআই ট্যাগ বানালো সরকার, ব্যবহার করতে হবে পণ্যের প্রচার-বাজারজাতে

জিআই ট্যাগ বানালো সরকার, ব্যবহার করতে হবে পণ্যের প্রচার-বাজারজাতে
ছবি সংগৃহীত।

দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যগুলোকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করতে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) ট্যাগ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে জিআই ট্যাগ তৈরি করা হয়েছে। এ ট্যাগ ব্যবহার করে পণ্যের প্রচার, বাজারজাতকরণ এবং প্রদর্শনী কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ড ভ্যালু ও রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়ে। তবে, এ ট্যাগ বিকৃতি করলে পড়তে হবে শাস্তির মুখে।

ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালা সংশোধন করে ট্যাগের ডিজাইন এবং এর ব্যবহারসংক্রান্ত নিয়ম-কানুন যুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এ সংশোধিত বিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জিআই পণ্য এমন একটি পণ্য, যার বিশেষ গুণ, মান বা খ্যাতি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। অর্থাৎ কোনো পণ্য যদি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে উৎপাদিত হয় এবং সেই অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া, ঐতিহ্য বা কারিগরি দক্ষতার কারণে আলাদা বৈশিষ্ট্য অর্জন করে, সেটিই জিআই পণ্য।

বাংলাদেশে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর পণ্যের জিআই সনদ দিয়ে থাকে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এরই মধ্যে ৬২টি পণ্যকে জিআই সনদ দেওয়া হয়েছে। দুটি পণ্যের (রাজবাড়ীর চমচম ও সাতক্ষীরার মাটির টালি) জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে, আর দুটি পণ্যকে (মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় ও জয়পুরহাটের লতিরাজ কচু) জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট জারির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ট্যাগ চালুর ফলে দেশের জিআই পণ্যের একটি অভিন্ন পরিচিতি তৈরি হবে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা বাড়াবে। একই সঙ্গে ভেজাল বা নকল পণ্য শনাক্ত করাও সহজ হবে।

এ বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘আমরা ২০১৫ সালের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালায় সংশোধন এনেছি। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী জিআই পণ্যে ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। ট্যাগটিও আমরা তৈরি করে দিয়েছি।’

‘সংশোধিত বিধিমালায় জিআই পণ্যে নির্ধারিত ট্যাগ ব্যবহারের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অনুমোদিত এ ট্যাগ ব্যবহার করে জিআই পণ্যের মান ও স্বকীয়তা চিহ্নিত এবং রপ্তানি সহজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’— শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান

তিনি বলেন, ‘জিআই পণ্যকে চেনার জন্য একটা লোগো লাগে, সারা ওয়ার্ল্ডেই আছে। এটা আমরা নিজেরা একটা ঠিক করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি ভেটিংয়ের জন্য। তারা সেটি অনুমোদন দেওয়ার পর সংশোধিত বিধিমালাটি জারি হয়েছে।

যাদের আমরা জিআই পণ্যের মালিকানা দিয়েছি, এদের আমরা বলবো যে এই জিআই পণ্যের সাথে এই ট্যাগটা যেন ব্যবহার করে। মানুষ যেন জানতে পারে যে এটা জিআই পণ্য এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন পণ্য। এটার জন্যই ট্যাগটা করা হয়েছে। বিদেশে যদি রপ্তানি করে, তাহলে এই ট্যাগটা লাগিয়ে বিদেশে রপ্তানি করবে।’

পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, আমরা জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দিচ্ছি, কিন্তু এটা যে জিআই পণ্য মোড়কে সেই সংক্রান্ত কোনো প্রামাণ্য কিছু ছিল না। এখন থেকে যারা জিআই পণ্য উৎপাদন করবে তারা এ ট্যাগটা ব্যবহার করবে। সবাই ট্যাগটা দেখলেই বুঝতে পারবে, এটি একটি জিআই পণ্য।

ট্যাগের ডিজাইন, রং কী হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে বিধিমালায় বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

২০১৫ সালের বিধিমালা সংশোধন করে ২৮ এর পর নতুন তিনটি বিধি (বিধি ২৮ক, ২৮খ ও ২৮গ) যুক্ত করা হয়েছে। জিআই ট্যাগের ডিজাইনও দেওয়া হয়েছে।

যেমন হবে জিআই ট্যাগ
বিধিমালায় বলা হয়, ভৌগোলিক নির্দেশক ট্যাগে ‘G’ বর্ণ দিয়ে Geographical (ভৌগোলিক) শব্দকে নির্দেশ করবে এবং ‘i’ বর্ণ দিয়ে indication (নির্দেশক) শব্দকে নির্দেশ করবে। এ ট্যাগে সবুজ রঙের ‘G’ ব্যবহৃত হবে এবং ‘i’ এর উলম্ব অংশটি লাল রঙের ও উপরে সবুজ রঙের বৃত্তাকার ফোঁটার ভেতরে সাদা রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র থাকবে। ট্যাগ লাইন হিসেবে ‘UNIQUE TREASURE OF BANGLADESH’ শব্দগুলো ব্যবহৃত হবে এবং ট্যাগ লাইনটি ট্যাগের বাম পাশের পাদদেশ থেকে শুরু করে ঘড়ির কাঁটার দিকে মুদ্রিত হয়ে ‘G’ এর ওপরের অংশে শেষ প্রান্ত বরাবর সমাপ্ত হবে। ‘G’ এর নিচে বক্রাকার অংশের বামপাশে এবং ট্যাগ লাইনের ভেতরের দিকে নির্দেশক চিহ্ন হিসেবে নিম্নমুখী তীরের দুইটি ফলা থাকবে, যার নিচের ফলাটি সবুজ ও ওপরের ফলাটি লাল রঙের হবে। ভৌগোলিক নির্দেশক ট্যাগটি বর্গাকৃতির (অনুপাত ১:১) হবে।

নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের লেবেলিং ও মোড়কে জিআই ট্যাগ এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে, যাতে তা সহজেই দৃশ্যমান হয়। অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের জিআই ট্যাগ ব্যবহারের পাশাপাশি নিজস্ব ব্র্যান্ডের নাম বা লোগো ব্যবহার করতে হবে।

কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে ট্যাগ
ভৌগোলিক নির্দেশক ট্যাগ নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী, অনুমোদিত ব্যবহারকারী, সরকার, বাংলাদেশ দূতাবাস বা মিশন বা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া কোন কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারবে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে বিধিমালায়।

ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী বা অনুমোদিত ব্যবহারকারীরা নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য প্রচার, প্রসার, বাজারজাতকরণ বা বাণিজ্যিকীকরণ; শিল্প মন্ত্রণালয়সহ সরকারের অন্যান্য দপ্তর তাদের দাপ্তরিক ও প্রচার কার্যক্রম; সরকারি উদ্যোগে পর্যটন শিল্প বিকাশে বিমান বন্দর ও পর্যটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রচার এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিক্রি ছাড়া প্রকাশ, প্রচার বা প্রদর্শনী কার্যক্রমে জিআই ট্যাগ ব্যবহার করা যাবে।

জিআই ট্যাগ ব্যবহারের নিয়মাবলি
সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, নিবন্ধিত ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের লেবেলিং ও মোড়কে জিআই ট্যাগ হুবহু ব্যবহার করতে হবে। এতে কোনো ধরনের পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যাবে না।

নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারী নিশ্চিত করবে যে, জিআই ট্যাগ অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের দিয়ে বাংলাদেশে তার নিবন্ধিত জিআই পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। জিআই ট্যাগযুক্ত বা প্রত্যেক পণ্যের লেবেল বা মোড়কের পেছনের অংশে নিচের বাম দিকে রঙিন কালিতে প্রদর্শন করতে হবে এবং অন্যান্য প্যাকেট বা মডেলের ক্ষেত্রে সুস্পষ্টভাবে রঙিন কালিতে প্রদর্শন করতে হবে।

জিআই ট্যাগ বিকৃত, অবৈধ বা জনস্বার্থের পরিপন্থি কোনো কার্যে ব্যবহার করা যাবে না। কেই এটা করলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

ভৌগোলিক নির্দেশক ট্যাগের স্বত্বাধিকার শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর সংরক্ষণ করবে।

জিআই পণ্য
বাংলাদেশের নিবন্ধিত ৬২টি জিআই পণ্যের মধ্যে রয়েছে— কালিগঞ্জের তোয়ালে, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, ফরিদপুরের পাট, মেহেরপুরের হিমসাগর আম, ফুলবাড়িয়ার লাল চিনি, নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি, মেহেরপুরের মেহের-সাগর কলা, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলার বীজ ও গাছ, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জামুর্কির সন্দেশ, নওগাঁর নাক ফজলি আম, মুন্সিগঞ্জের পাতক্ষীর, দিনাজপুরের বেদানা লিচু, কুমারখালির বেডশিট, বরিশালের আমড়া, অষ্টগ্রামের পনির, কিশোরগঞ্জের রাতা বোরো ধান, গাজীপুরের কাঁঠাল, সিরাজগঞ্জের লুঙ্গি, শেরপুরের ছানার পায়েস, সুন্দরবনের মধু এবং গোপালগঞ্জের ব্রোঞ্জের গহনা।

এ তালিকায় আরও আছে— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী মিষ্টি, কুমিল্লার খাদি, ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলা, মিরপুরের কাতান শাড়ি, সিলেটের মনিপুরি শাড়ি, সিরাজগঞ্জের গামছা, মাগুরার হাজরাপুরী লিচু, ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই, মধুপুরের আনারস, নরসিংদীর লটকন, টাঙ্গাইল শাড়ি, জামালপুরের নকশিকাঁথা, গোপালগঞ্জের রসগোল্লা, রাজশাহীর মিষ্টি পান, নরসিংদীর অমৃত সাগর কলা, যশোরের খেজুরের গুড়, মুক্তাগাছার মণ্ডা, মৌলভীবাজারের আগর আতর, মৌলভীবাজারের আগর, রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম এবং কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

এছাড়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে— কুমিল্লার রসমালাই, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, বগুড়ার দই, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, বাংলাদেশ কালিজিরা, দিনাজপুর কাটারিভোগ, বিজয়পুরের সাদা মাটি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বাংলাদেশ ইলিশ এবং জামদানি শাড়ি।




দ্বিতীয় মেয়াদে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-বি৪-এর রিজিয়ন চেয়ারপার্সন হলেন মো. সারোয়ার হোসাইন লাভলু

দ্বিতীয় মেয়াদে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-বি৪-এর রিজিয়ন চেয়ারপার্সন হলেন মো. সারোয়ার হোসাইন লাভলু
ছবি সংগৃহীত।

 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-বি৪, বাংলাদেশ-এর ২০২৬-২০২৭ লায়নিস্টিক বর্ষে দ্বিতীয়বারের মতো রিজিয়ন চেয়ারপার্সন (Region Chairperson) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী, সমাজসেবক ও লায়ন নেতা লায়ন অ্যাডভোকেট মো. সারোয়ার হোসাইন লাভলু।

গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন এম.ডি. কামরুজ্জামান লিটন এমজেএফ (Ln. Md. Kamruzzaman Liton MJF) স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্রে তাঁকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। নিয়োগপত্রে উল্লেখ করা হয়, মানবসেবায় তাঁর নিষ্ঠা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং লায়ন্স আন্দোলনে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে রিজিয়ন চেয়ারপার্সন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

নিয়োগপত্রে আরও বলা হয়, চলতি লায়নিস্টিক বর্ষের প্রতিপাদ্য "COMMITMENT" বাস্তবায়নে তিনি জেলা গভর্নরের ক্যাবিনেটের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং জেলা গভর্নরের লক্ষ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

লায়ন অ্যাডভোকেট মো. সারোয়ার হোসাইন লাভলুর লায়ন্স আন্দোলনের পথচলা শুরু হয় ২০১৬ সালে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং লিবার্টি-এর সাধারণ সদস্য হিসেবে। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা ও মানবসেবায় নিষ্ঠার কারণে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হন। ২০১৭-২০১৮ লায়ন সেবা বর্ষে তিনি সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮-২০১৯ সেবা বর্ষে তিনি লায়ন্স ক্লাব অব এঞ্জেল-এর চার্টার প্রেসিডেন্ট (Charter President) হিসেবে সফলভাবে ক্লাব পরিচালনা করেন।

পরবর্তীতে ২০১৯-২০২২ সময়কালে তিনি ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারপারসন, ২০২২-২০২৪ লায়ন সেবা বর্ষে জোন চেয়ারপারসন এবং জোন চেয়ারপারসন উইথ ক্লাব হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সফল নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সক্ষমতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫-২০২৬ লায়ন সেবা বর্ষে তাঁকে প্রথমবারের মতো রিজিয়ন চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করায় এবার ২০২৬-২০২৭ লায়নিস্টিক বর্ষে তাঁকে দ্বিতীয়বারের মতো রিজিয়ন চেয়ারপার্সন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা তাঁর নেতৃত্বের প্রতি জেলা প্রশাসনের আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

পেশাগত জীবনে লায়ন অ্যাডভোকেট মো. সারোয়ার হোসাইন লাভলু চট্টগ্রামের একজন সুপরিচিত আইনজীবী। তিনি বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর, চট্টগ্রাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্রীড়া সম্পাদক, দিশারী যুব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, দৈনিক আইন আদালত প্রতিদিন-এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং দৈনিক সাঙ্গু, দৈনিক বায়ান্ন, দৈনিক ভোরের চেতনা-এর আইন সম্পাদক (নির্বাহী সম্পাদক পদমর্যাদা) হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

দ্বিতীয়বারের মতো রিজিয়ন চেয়ারপার্সন হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় লায়ন্স অঙ্গন, আইনজীবী সমাজ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের মানবিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং সমাজসেবামূলক উদ্যোগ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে লায়ন অ্যাডভোকেট মো. সারোয়ার হোসাইন লাভলু মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন এবং লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-বি৪-এর ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন এম.ডি. কামরুজ্জামান লিটন এমজেএফ-এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি এটি একটি বড় দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। আমি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনালের আদর্শ বাস্তবায়ন, মানবসেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।" একই সঙ্গে তিনি সকল লায়ন নেতা, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।




নিলাম জটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর, কনটেইনারেই পচছে হাজার কোটি টাকার পণ্য

নিলাম জটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর, কনটেইনারেই পচছে হাজার কোটি টাকার পণ্য
ছবি সংগৃহীত।

বন্দর ইয়ার্ডজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে শত শত মরিচা ধরা লোহালক্কড়ের স্তূপ। একেকটি কনটেইনারের গায়ে জমেছে বছরের পর বছর জমা ধূলিবালি ও শ্যাওলার প্রলেপ। ভেতরের তাপদাহে কোনোটিতে পচে গন্ধ বের হচ্ছে আমদানিকৃত ফল ও পচনশীল খাদ্যের, আবার কোনোটিতে আর্দ্রতায় নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান শিল্প কাঁচামাল ও কাপড়। এটি দেশের মূল অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতরের চিত্র।

কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা, আমদানিকারকদের মামলা এবং আমলাতান্ত্রিক লালফিতার দৌরাত্ম্যে ভেতরের অন্তত ৯ হাজার ২৭৮টি কনটেইনারই এখন অবরুদ্ধ। ৩০ দিনের মধ্যে পণ্য খালাসের আইন থাকলেও এক থেকে দেড় যুগ ধরে আটকে রয়েছে এসব পণ্য। ফলে বন্দরের মূল্যবান ১৫ থেকে ২০ শতাংশ স্থান দখল করে রাখা এসব কনটেইনার শুধু যে হাজার কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ নষ্ট করছে তা নয়, বরং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য এবং বন্দরের সার্বিক গতিশীলতাকে স্থবির করে দিচ্ছে।

গভীর অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দরের এই ক্রমান্বয়ে ঘনীভূত হতে থাকা মহাবিপর্যয়ের মূল বিন্দুগুলো একে একে স্পষ্ট হয়ে উঠছে:

১. বিশাল অঙ্কের আমদানিকৃত পণ্যের স্থবিরতা

চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস হাউসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল ও ইয়ার্ডে পড়ে রয়েছে ৯ হাজার ২৭৮টি নিলামযোগ্য কনটেইনার। এর মধ্যে ২ হাজার ৭০০টি ২০ ফুট এবং ৬ হাজার ৫৭৮টি ৪০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনার। এসব পাত্রে আটকা পড়ে আছে প্রায় ২ লাখ টন পণ্য। তৎকালীন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্য হিসাব করলে এই পণ্যের সমষ্টিগত দর অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকা। অথচ দীর্ঘদিন প্রক্রিয়াকরণের অভাবে এগুলো ইয়ার্ডেই ফেলে রাখা হয়েছে।

২. স্থান সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক হ্যান্ডলিং

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা এককভাবে দখল করে রেখেছে এই নিলামযোগ্য জটের কনটেইনারগুলো। এর ফলে প্রতিদিন বন্দর থেকে নতুন আসা কনটেইনার খালাস, পণ্য জট তৈরি না হওয়া এবং জাহাজ থেকে পণ্য নামানোর স্বাভাবিক গতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বন্দর সচল রাখতে নতুন নতুন জায়গা খোঁজা হলেও নিজস্ব ভূমির এক-পঞ্চমাংশ এভাবে অব্যবহৃত ও অবরুদ্ধ হয়ে থাকায় সক্ষমতার চরম অপচয় ঘটছে।

৩. পচনশীল ও মূল্যবান দ্রব্যাদির করুণ পরিণতি

নিলামের অপেক্ষায় আটকে থাকা এই হাজার হাজার কনটেইনারের বিপুল অংশ জুড়ে রয়েছে কমলা, মাল্টা, খেজুর, আদা ও পেঁয়াজের মতো দ্রুত পচনশীল খাদ্যদ্রব্য। তা ছাড়া প্রচুর পরিমাণ কেমিক্যাল, শিল্প কাঁচামাল, টেক্সটাইল পণ্য এবং বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে ইয়ার্ডে। বছরের পর বছর প্রচণ্ড তাপদাহ ও লোনা বাতাসে কন্টেইনার ভেতরেই পচে মাটিতে মিশে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার খাদ্যদ্রব্য এবং জমে ক্ষয়ে নষ্ট হচ্ছে রাসায়নিক পদার্থ।

৪. শিপিং এজেন্ট ও শিপ মালিকদের দ্বিমুখী ক্ষতি

আমদানিকারক পণ্য খালাস না করায় শুধু পণ্যই পচছে না, আন্তর্জাতিক বাজারের অত্যন্ত মূল্যবান কনটেইনারগুলোও অকেজো হয়ে যাচ্ছে। শিপিং এজেন্ট ও ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারদের হাজার হাজার কনটেইনার বছরের পর বছর ধরে আটকে থাকায় শিপিং কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ডেমারেজ ও ভাড়া। অন্যদিকে দীর্ঘস্থায়ী লোনা বাতাসের প্রভাবে বহু কনটেইনার কাঠামোগতভাবে ভেঙে চুরমার হয়ে আয়ু হারিয়ে ফেলছে।

৫. কেন পণ্য খালাস নেওয়া থেকে পিছপা আমদানিকারকরা?

অনুসন্ধানে দেখা যায়, পণ্য আমদানির পর তা বন্দর থেকে খালাস না নেওয়ার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ মুখ্য। প্রথমত, আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ দরপতন ঘটলে অসাধু আমদানিকারকরা ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইচ্ছে করেই পণ্য গ্রহণ করেন না। দ্বিতীয়ত, আন্ডার-ইনভয়েসিং বা মিথ্যা ঘোষণার অভিযোগে কাস্টমস পণ্য আটকে দিলে বা মোটা অঙ্কের জরিমানা আরোপ করলে আমদানিকারকরা তা ছেড়ে পালিয়ে যান। তৃতীয়ত, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাব ও উচ্চ শুল্ক হারের কারণে অনেক ছোট আমদানিকারক খালাসে অসমর্থ হন।

৬. আইনি জটিলতা ও কাস্টমসের ধীরগতির নিলাম

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিধিমালার তোয়াক্কা না করে গতিহীনভাবে চলছে নিলাম প্রক্রিয়া। বর্তমানে ২,৬৯৭টি কনটেইনার নিলাম তালিকায় তোলা হলেও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে মাত্র ১,৬১৯টি। ম্যানুয়াল নিলামে মাইকিং করে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০টি কনটেইনারের নিষ্পত্তি করা যায়, যা মহাসাগরে এক ফোটা জলের মতো। অপরদিকে ই-অকশন বা ডিজিটাল নিলাম প্রক্রিয়াও কচ্ছপগতির শিকার। গত দেড় বছরে ৯৮৮টি কনটেইনার নিষ্পত্তি করা সম্ভব হলেও ওই একই সময়ে কাস্টমসের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরও কয়েকশো কনটেইনার।

৭. কাস্টমস বনাম বন্দর কর্তৃপক্ষ: প্রশাসনিক দ্বন্দ্বে এনবিআর

আইন অনুযায়ী, জাহাজ থেকে পণ্য ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে আমদানিকারক তা গ্রহণ না করলে কাস্টমস হাউসকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। কাস্টমস তখন আমদানিকারককে ১৫ দিনের নোটিশ দিয়ে পণ্য নিলাম বা ধ্বংসের আইনি এখতিয়ার লাভ করে। কিন্তু বাস্তব চিত্রে দেখা গেছে, গত এক দশকে বন্দর থেকে ৮০টিরও বেশি চিঠি দেওয়া হলেও কাস্টমসের তরফ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দেখা গেছে চরম উদাসীনতা ও প্রশাসনিক অলসতা।

৮. শিপিং খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের ক্ষোভ

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহসভাপতি খায়রুল আলম সুজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নিলাম কার্যক্রম গতিশীল না হওয়ার কারণে বছরের পর বছর শত শত কনটেইনার এবং ভেতরের পণ্য চিরতরে নষ্ট হচ্ছে। আমরা বারবার সভা-সেমিনারে ও লিখিত চিঠিতে কাস্টমসকে সতর্ক করেছি। কাস্টমসের এই ঢিলেঢালা মনোভাবের মাশুল গুনছেন শিপিং এজেন্ট ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা।”

৯. কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য

সমস্যার সার্বিক গুরুত্ব স্বীকার করে বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (মেরিন অ্যান্ড হারবার) কমোডর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, “বন্দরের বর্তমান ক্ষমতার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ স্থান এই নিলামযোগ্য কনটেইনার দখল করে আছে। এটি যদি দ্রুত নিষ্পত্তি করে অপসারণ করা যায়, তবে আমরা বিশাল এলাকা ফাঁকা পাব। যা নতুন আন্তর্জাতিক আমদানি-রপ্তানি হ্যান্ডলিং সহজ করতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।”

অন্যদিকে কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন সরকারি বিধিমালার জটিলতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “নিলামে কনটেইনারের পণ্য বিক্রির একটি সুনির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। কাস্টমস আইনের সব বিধিবিধান পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ করতে গিয়েই কিছুটা সময় বেশি লাগছে। তবে আমরা সার্বিক নিলাম প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনতে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছি।”




বস্ত্র খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বস্ত্র খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রফতানি আয় বৃদ্ধিতে বস্ত্রশিল্পের অসামান্য অবদান রয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় দেশের বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রফতানি সম্ভাবনা এবং এ খাতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রশিল্পের অবদানের কথা তুলে ধরে এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা চান। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন সরকারপ্রধান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, সহ-সভাপতি শামীম ইসলাম, সাবেক সভাপতি এ মতিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক সৈয়দ এনায়েত কবির, ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হায়দার, বর্তমান পরিচালক চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ সোয়েব, বাদশা মিয়া ছাড়াও আমানত শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া, মুন্নু ফেব্রিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।