চকরিয়ার ফুটপাতে দৈনিক অর্ধলাখ টাকা চাঁদাবাজি

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরের প্রধান সড়ক, ওয়াপদা সড়ক ও গার্লস স্কুল সড়কজুড়ে গড়ে উঠেছে প্রায় পাঁচ শতাধিক ফল ও বিভিন্ন ধরনের ভ্রাম্যমান দোকান। এসব দোকান থেকে প্রতিদিন আকারভেদে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আদায়কৃত অর্থের বড় একটি অংশ ফল ব্যবসায়ী সমিতির নামে বিএনপি নেতা ফরিদ আহমদের পকেটে যাচ্ছে। এছাড়া কিছু ভ্রাম্যমান দোকান থেকে পৌরসভার কমিউনিটি পুলিশ এবং যেসব দোকানের সামনে বসে ব্যবসা করা হয়, সেসব দোকানদারকেও আলাদা করে চাঁদা দিতে হচ্ছে।
এভাবে সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত দখল করে একটি চক্র নিয়মিত মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ফলে জনসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
বিশেষ করে বিকেলের পর ভ্রাম্যমান দোকানের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এসব সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, পথচারীদের হাঁটাচলাও কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সও অনেক সময় সরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারে না।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর কিছুদিন চাঁদাবাজি বন্ধ থাকলেও বর্তমানে তা আবারও শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে চিরিংগা সোসাইটি ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমদের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও রুপায়ন দেব বলেন, “যেখানে এসব দোকানই অবৈধ, সেখানে চাঁদা বা ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। কেউ এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”







