চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

চকরিয়ায় বাস-জিটু মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী জিটু গাড়ি ও এসি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁও থেকে চকরিয়াগামী একটি নাম্বারবিহীন যাত্রীবাহী জিটু গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা লাল-সবুজ রঙের একটি যাত্রীবাহী এসি বাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮০৯০) জিটু গাড়িটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে জিটু গাড়িটির ছাদ আলাদা হয়ে যায় এবং গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।


দুর্ঘটনায় জিটু গাড়িতে থাকা নয়জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে পাঠান।


চিকিৎসাধীন অবস্থায় মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মানাযায় খুটাখালী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেগুনবাগিচা এলাকার  মৃত মতিউর রহমানের পুত্র

 মো.জসিম উদ্দিন (২৫), এবং কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারা যায় খুটাখালী নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের পুত্র মো. জিয়াবুল হক (২৫) । ঈদগাঁও পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র মো. রফিক (২৮),

চকরিয়া ফুলছড়ি সিয়ালপাড়া এলাকার

মৃত মঞ্জুর আলমের পুত্র মো. শাহেদ (২৭) ।


অন্যদিকে গুরুতর আহত জিয়াবুল হক (৪০), মো. সরোয়ার (১৯), সৈয়দ আলম (৫০) ও মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫) মালুমঘাট খ্রিস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত সৈয়দ করিম (৩০) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেওয়া ও আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।




রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপান সরকারের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন ইয়োহেই সাসাকাওয়া।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এসব তথ্য জানান।

বৈঠকে জাপান সরকারের বিশেষ দূত বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তার ভূমিকার কথাও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান।

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে জাপানের বিশেষ দূত বলেন, এ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান সরকারের বিভিন্ন অনুদান ও মানবিক সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট। এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এমনিতেই একটি জনবহুল দেশ। দীর্ঘসময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।

এ সময় বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার এই সংকটের সমাধানে আন্তরিক বলে তিনি মনে করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অগ্রগতিতে সময় লাগছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। কারণ, নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তার অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বিশেষ দূত বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ জাপানের বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী এবং দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে জানান। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উন্নত করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তিনি তুলে ধরেন।

এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।




মৈত্রী-বন্ধন-মিতালী এক্সপ্রেস: বাংলাদেশ-ভারতের ট্রেন আবার চালুর উদ্যোগ, বৈঠক ৮ সেপ্টেম্বর

মৈত্রী-বন্ধন-মিতালী এক্সপ্রেস: বাংলাদেশ-ভারতের ট্রেন আবার চালুর উদ্যোগ, বৈঠক ৮ সেপ্টেম্বর
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধ থাকা মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস আবার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে বার্ষিক বৈঠকে আলোচনা হবে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া দুই দিনব্যাপী বৈঠকে তিনটি ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সূত্র বলছে, দুই দেশ সম্মত হলে আগামী মাস থেকেই বন্ধ থাকা আন্তঃদেশীয় ট্রেনগুলোর চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই বৈঠকে রাজশাহী থেকে কলকাতা রুটে নতুন একটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর প্রস্তাবও দেবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি ঢাকা-কলকাতা রুটের মৈত্রী এক্সপ্রেসকে পদ্মা সেতু হয়ে পরিচালনার আগ্রহের কথা জানাবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের এ বৈঠকটি আন্তঃসরকার রেলওয়ে বৈঠক (ইন্টার-গভর্নমেন্টাল রেলওয়ে মিটিং— আইজিআরএম) নামে পরিচিত। এবার ঢাকার রেলভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৈঠকের জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার বিষয়গুলো ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে ভারতীয় রেলওয়েরও আগ্রহ রয়েছে। তবে ট্রেন তিনটির চলাচল শুরুর ক্ষেত্রে শুধু দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষের সম্মতি যথেষ্ট নয়। এ বিষয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের মতামত প্রয়োজন হবে। মঙ্গলবারের বৈঠকে এসব মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।

তবে আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক পর্যায় থেকেই আসবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আইজিআরএম বৈঠকটি প্রতিবছর বাংলাদেশ ও ভারতে পালাক্রমে অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি ভারতের নয়াদিল্লিতে। কয়েক দফা তারিখ পরিবর্তনের পর এবার ঢাকায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচলে প্রভাব পড়ে। ১৬ জুলাই মৈত্রী এক্সপ্রেসের চলাচল স্থগিত করা হয়। পরে ১৯ জুলাই থেকে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী— তিনটি ট্রেনের চলাচলই বন্ধ হয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এলেও ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেনগুলোর চলাচল আর স্বাভাবিক হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর এবার আইজিআরএম বৈঠকের মাধ্যমে ট্রেনগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হতে যাচ্ছে।

মৈত্রী এক্সপ্রেস বর্তমানে ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে চলাচল করে। বন্ধন এক্সপ্রেসের রুট খুলনা-কলকাতা এবং মিতালী এক্সপ্রেস ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি। এসব ট্রেন পুনরায় চালুর পাশাপাশি রাজশাহী-কলকাতা রুটে নতুন ট্রেন চালুর প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃদেশীয় রেল যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশের নিরাপত্তার বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ক্যাম্প ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিআইআইএসএস অডিটোরিয়ামে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ ও সমধানের কৌশল নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

মানবিক থাকতে হবে, তবে নিরাপত্তার বিষয়ে উদাসীন হওয়া যাবে না। আমাদের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে হবে, একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর চারপাশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যেমন উপযুক্ত বেড়া (ফেন্সিং) ও নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে ক্যাম্পের ভেতরে চলাচল আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমানো এবং শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা জোরদার করা যাবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কোনো জনগোষ্ঠীকে বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশে নয়, বরং অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাসকারী একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার অংশ।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের মানুষ অসাধারণ সহনশীলতা দেখিয়েছে। তারা নিজেদের ভূমি ও সম্পদ ভাগ করে নিয়েছে। এর ফলে তাদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পরিবেশের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় জনসেবাগুলোর ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে।

তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা যেন কোনোভাবেই স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থের বিনিময়ে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগণের জন্যও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা প্রয়োজন, কিন্তু এর পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই রাজনৈতিক সমাধান এবং তাদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।