কক্সবাজারে চেমন শমসের মাদ্রাসার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারে চেমন শমসের মাদ্রাসার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

কক্সবাজারে চেমন শমসের মাদ্রাসার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার শহরের চেমন শমসের ইসলামিয়া নুরানী কিন্ডার গার্টেন মাদ্রাসা ও শামসুন্নাহার হিফজখানার বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সম্পন্ন হয়েছে। দুপুরে শহরের বদর মোকাম এলাকার মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও সনদ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন বলেন, “আধুনিক সমাজ গঠন ও শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি সহ-শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের মেধা বিকাশে সহায়ক।”

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এ এম শামসের তসলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নূরানী তালীমুল কুরআন শিক্ষা বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং হিফজ বিভাগের কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিরা। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ইকবাল মোহাম্মদ শামসুল হুদা ও সাংবাদিক ইমাম খাইরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বদর মোকাম জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি এমদাদুল্লাহ। সংশ্লিষ্টরা জানান, নূরানী শিক্ষা বোর্ডে জেলা পর্যায়ে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।




চকরিয়ায় ড্রেনের মুখে বাঁধ নির্মাণ, নোংরা পানিতে মাছের ঘেরে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি

চকরিয়ায় ড্রেনের মুখে বাঁধ নির্মাণ, নোংরা পানিতে মাছের ঘেরে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ভাইয়াকাটা এলাকায় দীর্ঘদিনের পানি চলাচলের পথ জোরপূর্বক বন্ধ এবং খতিয়ানভুক্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গা কেটে নতুন ড্রেন নির্মাণ করে বসতভিটা ও মাছের ঘেরের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা এবং অভিযোগকারীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিনের পানি চলাচলের ড্রেনের মুখে মাটি দিয়ে শক্ত বাঁধ নির্মাণ করায় বৃষ্টির পানি জমে বসতভিটা ও মাছের ঘের ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, এতে প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ এবং জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অভিযোগকারী হারবাং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভাইয়াকাটা এলাকার বাসিন্দা মিজানুল ইসলাম জানান, ২০২১ সালে তিনি আব্দুল হামিদের কাছ থেকে ৩৫ কড়া নাল জমি ক্রয় করেন। মানবিক কারণে পাশের জমির বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের সুবিধার্থে নিজের জমির ওপর দিয়ে একটি ড্রেন খনন করেন। কয়েক বছর ধরে ওই ড্রেন দিয়ে স্বাভাবিকভাবে পানি চলাচল করলেও সম্প্রতি অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে ড্রেনের মুখে বাঁধ নির্মাণ করে পানি চলাচল বন্ধ করে দেয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে সালিসি বৈঠকের জন্য উভয় পক্ষকে ডাকা হয়। তবে অভিযুক্তরা বৈঠকে উপস্থিত না হয়ে উল্টো হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে জসিম উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আমজাদ হোসেন, শাহ আলম, নাজেম উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, আরিফ, শাহেদ, এহসান, আজিম ও নুরুল আবছারসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।

অভিযোগকারী ড্রেনের মুখে নির্মিত বাঁধ অপসারণ, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপনারা যেমন ইচ্ছা তেমন লেখেন, আমার কিছু হবে না।”

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফ হোসেন বলেন, “অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”




১৩ কোটি টাকায় নির্মিত গজালিয়া ব্রিজ আদৌ চলাচলের উপযোগী হবে কি?

১৩ কোটি টাকায় নির্মিত গজালিয়া ব্রিজ আদৌ চলাচলের উপযোগী হবে কি?
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও খালের ওপর প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে সংযোগ সড়কের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। কোটি টাকার এই উন্নয়ন প্রকল্প জনসাধারণের কোনো কাজে না এসে এখন উল্টো জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী নিজেরাই মই তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছেন। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও সাধারণ মানুষ এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন।

১৭ জুলাই এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে সেতুতে ওঠানামার জন্য বড় একটি মই স্থাপন করেন। মুহূর্তেই সেখানে শত শত মানুষের ভিড় জমে যায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় পাঁচ বছর আগে ঈদগাঁও খালের ওপর ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭ দশমিক ৩ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ সম্পন্ন করে। কিন্তু উভয় পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি আজও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়নি।

এলাকাবাসী জানান, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তখন আর যাত্রীদের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ডাকাতি ও অপহরণের জন্য কুখ্যাত হটস্পট—হিমছড়ি, খেত ও সাঁততরা ডালা অতিক্রম করতে হবে না। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকায় ডাকাতি, অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে যাতায়াত করেন। বিকল্প এই সেতু চালু হলে লাখো মানুষ নিরাপদ পথে চলাচলের সুযোগ পাবেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনার দুর্বলতা, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলা এবং ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতার কারণেই পাঁচ বছর ধরে কোটি টাকার সেতুটি জনগণের কোনো কাজে আসছে না।

ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, এই সেতু চালু করা এখন জনগণের প্রাণের দাবি। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জুয়েল জানান, পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যাওয়ায় প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে।

এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হওয়ায় আগের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। অবশিষ্ট কাজের জন্য নতুন টেন্ডার আহ্বانের প্রক্রিয়া চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

এদিকে সেতুতে সংযোগ সড়ক না থাকলেও মানুষের চলাচলের প্রয়োজন থেমে নেই। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অস্থায়ী মই বেয়ে প্রতিদিন পারাপার করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর ব্যবহার নিশ্চিত করতে আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে? কোনো প্রাণহানির পর কি সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?

এলাকাবাসীর একটাই দাবি—দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন করে সেতুটি চালু করা হোক। এতে শুধু পাঁচ বছরের দুর্ভোগের অবসানই হবে না, বরং ডাকাতি-অপহরণের ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে ঈদগাঁও-ঈদগড়সহ পাহাড়ি জনপদের লাখো মানুষের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত হবে।




কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল

কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আতাহার ইকবাল (৭৪) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

২১ জুলাই মধ্যরাত ১টার দিকে কক্সবাজার শহরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রোক জনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একজন মাত্র ছেলে সন্তান রয়েছে। 
বুধবার বিকেল পাঁচটায় কক্সবাজার শহরের বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। 

আতাহার ইকবাল একাধারে সাংবাদিক, সংগীত শিল্পী, বেতার উপস্থাপক সর্বোপরি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর যথেষ্ট খ্যাতি রয়েছে। ১৯৭২ সালে দৈনিক গণকন্ঠের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু। 
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আতাহার ইকবাল কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক তরংগ, সাগর বানী দৈনিক বাকখালীর প্রকাশক ও সম্পাদক ছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পুর্বকোন দৈনিক নয়াবাংলা ঢাকার দৈনিক জনকণ্ঠ দৈনিক মানবজমিন দৈনিক মাতৃভূমি পত্রিকার কক্সবাজার প্রতিনিধি ও স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। ১৯৭৫ সালে কক্সবাজার প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাকালে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভুমিকায়। 

সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘকাল তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। শুরুতে জড়িত ছিলেন জাসদ ছাত্রলীগের সাথে। তিনি ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তে যোগদান করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে তিনি কক্সবাজার মহকুমা যুবদলের সেক্রেটারি এবং যুব সংস্থার চেয়ারম্যান। নব্বই দশকের শেষের দিকে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর দীর্ঘদিনের সভাপতি। 

শোক প্রকাশ:
সাংবাদিক আতাহার ইকবালের মৃত্যুতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। 
শোক বার্তায় প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর মাগফিরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, কক্সবাজারে সাংবাদিকতা পেশায় তাঁর দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, সততা ও অবদান কক্সবাজারের গণমাধ্যম অঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারবাসী একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক, অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হারালো।
মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা জানান নেতৃবৃন্দ। 

মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়ার আর্জি, তিনি যেন মরহুমের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন। আমীন।