ইয়াবায় বেকার থেকে কোটিপতি! আনোয়ারায় ইয়াবা বাদশার বাদশাহী বাড়ি

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদশা প্রকাশ ইয়াবা বাদশা। একসময় এলাকায় ঘুরাঘুরি করে বেকার সময় কাটাত। এরই মাঝে বিয়ে করেন এক মাদক ব্যবসায়ীর মেয়েকে। তাতেই রাতারাতি পাল্টে যায় সাইফুল ইসলামের জীবন। সাইফুল ইসলাম হয়ে যায় বাদশা সাইফুল। আনোয়ারা উপজেলার জুঁইদন্ডী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ির পাশে প্রায় একশ শতক জমি কিনে তিনটি পুকুর ভরাট করে রাতারাতি গড়ে তোলে বাদশাহী দরবারের আদলে বাড়ির প্রাচীর। বাবার নাম মোহাম্মদ সেলিম হলেও জুনু মিয়ার নাতি হিসেবেই বেশি পরিচিত। গ্রামে ও শহরে কিনে নেয় ফ্লাট বাসা এবং জমি। পুলিশের ২ টি মাদক মামলায় একাধিকবার আটক হলেও টাকার জোরে ফিরে আসে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম বাদশা ২০২১ সালের ২৩ মার্চে গ্রেপ্তারের পর আনোয়ারা থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮এ একটি মামলা এজাহার ভুক্ত হয়। ওই মামলার নম্বর এফআইআর ২০/৮২। পরে ২০২৩ সালে ১৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ মডেল থানায় তার নামে আরো একটি মামলা এজাহারভুক্ত হয়। ওই মামলার নম্বর জি.আর ২০৯। গত ২০২৪ সালের ২৯ মার্চ এ মামলার চার্জশীটও প্রদান করেন পুলিশ।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম বাদশা গ্রামের দরিদ্র কৃষকের ছেলে, বাবার সাথে কৃষি কাজ করত তিনি। এরই মাঝে বাদশা বিয়ে করেন এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর মেয়েকে। এতেই বাদশা রাতারাতি বড়লোক হয়ে যায়। এখন গ্রামে তেমন একটা আসেনা। শহরে জমি ও ফ্লাট বাসা নিয়েছেন, গ্রামেও পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের নামে জমিজমা নিয়েছেন। বাদশা এলাকার কিছু যুবক নিয়ে সাঙ্গুনদী ভিত্তিক ইয়াবা সিন্ডিকেটও গড়ে তোলেছেন।
এবিষয়ে জানতে বাদশার মুঠোফোনে একাদিকবার কল দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে অন্য একটা নম্বর থেকে এক মহিলা প্রতিবেদককে কল দিয়ে কারণ জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কেটে দেন।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, আনোয়ারায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইয়াবা বাদশার নামে থানায় মামলঅ রয়েছে, তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।






