ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২

ইভটিজিং মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাদীর ওপর হামলা, আহত ২
আহত রুবেল ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন

আনোয়ারায় ১২ বছরের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি জামিনে এসে আবারও বাদীর পরিবারের ওপর দুফা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে মামলার বাদী মোহাম্মদ রুবেল (৩৮) ও তার পিতা তমিজ উদ্দিন (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বুধবার বিকেলে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের হেটিখাইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই রাতে এক কিশোরীর চাচার দোকানের সামনে উত্ত্যক্ত করার ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন তার চাচা মোহাম্মদ রুবেল। এর জেরে অভিযুক্তরা ওই কিশোরীর চাচার দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং ঘটনার পর দিন কিশোরীর বাড়িতেও হামলা করে। এতে নারী-পুরুষসহ পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই এলাকার অভিযুক্ত রোকনকে (২৫) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। সম্প্রতি রোকন জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। বুধবার বিকেলে রোকন দলবল নিয়ে মামলার বাদীকে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে কুপিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁদের ওপর আবারও হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

আহত বৃদ্ধ তমিজ উদ্দিন (৬০) বলেন, ‘বিকেলে রোকন ও শিবলু দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমার ছেলেকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। এ সময় আমরা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ আসে। অভিযুক্তরা পুলিশের সামনেই আমাকে হামলা করে পালিয়ে যায়।’

আহত মোহাম্মদ রুবেলের বড় ভাই মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘অভিযুক্তরা জেল থেকে বেরিয়ে ইভটিজিংয়ের মামলা তুলে নিতে বারবার চাপ সৃষ্টিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নেওয়ায় তারা আমার পরিবারের ওপর দুই দফায় হামলা করে। এতে আমার ভাই ও বাবা গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়ালি উল্লাহ বলেন, গুরুতর আহত দুই ব্যক্তিকে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’




পটিয়ায় সবজির দাম কমলেও মাছের বাজার চড়া

পটিয়ায় সবজির দাম কমলেও মাছের বাজার চড়া
ছবি সংগৃহীত।

পটিয়ায় কয়েকটি সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার এখনো চড়া। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে না। তাই বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পটিয়া থানার হাট, কামাল বাজার, মুন্সেফ বাজার, কমল মুন্সির হাট ও অলির হাটসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং শিম ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় কয়েকটি সবজির দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

তবে মাছের বাজারে এখনো চড়া দাম বিরাজ করছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, রুই ৪০০ টাকা, কাতল ৫০০ টাকা এবং ইলিশ সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের উচ্চমূল্যের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক ক্রেতা মাছ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন।

বাজার করতে আসা চাকরিজীবী আলী কদর জীবন বলেন, সবজির কয়েকটি পণ্যের দাম কমলেও মাছের দাম অনেক বেশি। রুই ৪০০ ও কাতল ৫০০ টাকা কেজি হলে সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে নিয়মিত মাছ কেনা কঠিন। বাজারে নিয়মিত মনিটরিং হলে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেন রনী ও এনায়েত সওদাগর বলেন, পাইকারি বাজারের দাম ও পরিবহন খরচসহ বিভিন্ন কারণে খুচরা বাজারে পণ্যের দাম বাড়ে। মাছের ক্ষেত্রেও সরবরাহ ও আড়তপর্যায়ের দামের প্রভাব রয়েছে। তবে ক্রেতাদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে যৌক্তিক দামে পণ্য বিক্রি করা উচিত।

ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছের পাশাপাশি চাল, ডাল, তেল, ডিম ও মসলাসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও তুলনামূলক বেশি। দোকানভেদে একই পণ্যের দামে পার্থক্য থাকায় প্রকৃত বাজারদর নিয়েও বিভ্রান্তিতে পড়তে হয় তাঁদের। বাজারে নিয়মিত মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও তদারকি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, “বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি না পায়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে। অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি বা কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, শুধু বিশেষ সময়ে নয়, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে। পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ ক্রেতাদের ওপর দ্রব্যমূল্যের চাপ কিছুটা কমবে।




পটিয়ায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

পটিয়ায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
ছবি সংগৃহীত।

বাংলা পুঁথি সাহিত্যের অমর গবেষক, সংগ্রাহক ও সাহিত্যিক মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পটিয়ায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে পটিয়া পৌরসভার সুচক্রদণ্ডী গ্রামে সাহিত্যবিশারদের মাজারে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

সাহিত্যবিশারদের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উদ্‌যাপন পরিষদ, সাহিত্যবিশারদ স্মৃতি সংসদ, পটিয়া গৌরব সংসদ ও সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চের নেতৃবৃন্দ এ সময় মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যবিশারদ স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সৈয়দ, পটিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যবিষয়ক লেখক এস কে জাহাঙ্গীর আমীরি, পটিয়ার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক অভিজিৎ বড়ুয়া মানু, পটিয়া গৌরব সংসদের সভাপতি অ্যাডভোকেট কবিশেখর নাথ পিন্টু, সৃজনশীল সাহিত্য গোষ্ঠী মালঞ্চের সভাপতি অধ্যাপক অজিত মিত্র, সাধারণ সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক শিবুকান্তি দাশ, অধ্যাপক ভগীরথ দাশ, গফরুল মনু, রনি দে ও শ্যামল ভট্টাচার্য।

এ সময় সাহিত্যবিশারদ পরিবারের সদস্য জাহিদুল ইসলাম আকাশও উপস্থিত ছিলেন।

মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ১৮৭১ সালে চট্টগ্রামের পটিয়ার সুচক্রদণ্ডী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রাচীন বাংলা পুঁথি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, সম্পাদনা ও গবেষণায় অসামান্য অবদান রাখেন। মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের বহু দুর্লভ পুঁথি সংগ্রহের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সংগৃহীত পুঁথির সংখ্যা আড়াই হাজারেরও বেশি বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চট্টগ্রামের পণ্ডিতসমাজ তাঁকে ‘সাহিত্যবিশারদ’ এবং নদিয়ার পণ্ডিতসমাজ ‘সাহিত্যসাগর’ উপাধিতে ভূষিত করে। প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের হারিয়ে যেতে বসা পুঁথি সংগ্রহ ও গবেষণার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংরক্ষণ করে গেছেন।

১৯৫৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নিজ জন্মভূমি সুচক্রদণ্ডীতেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পটিয়ার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্য সংগঠন তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বক্তারা বলেন, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ শুধু পটিয়ার নন, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। তাঁর সংগ্রহ ও গবেষণার কারণে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন পুঁথি ও মধ্যযুগীয় সাহিত্য-ঐতিহ্যের বহু গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর জীবন, কর্ম ও গবেষণার অবদান তুলে ধরতে আরও ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।




মালিক, শ্রমিক ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাতেই দেশ এগিয়ে যাবে- শাহজাহান চৌধুরী এম.পি

মালিক, শ্রমিক ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাতেই দেশ এগিয়ে যাবে- শাহজাহান চৌধুরী এম.পি
ছবি সংগৃহীত।

সাতকানিয়া রাস্তার মাথা সিএনজি শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে শ্রমিকদের কল্যাণ, সার্বিক উন্নতি ও পারস্পরিক সুসম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৯ ঘটিকায় উপজেলার স্থানীয় থ্রি স্টার ক্লাবে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে এ সভা সম্পন্ন হয়।

​শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের  সভাপতি ডাক্তার ইউনুসের সভাপতিত্বে  রাশেদের  সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক।  

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে  আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারি ও বিরোধী দলসহ সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশপ্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমাদের সামনে এগোতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “পরিবহন খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। তাই মালিক ও শ্রমিকদের মাঝে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও দেশপ্রেমের ঐক্য বজায় রেখে যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে।”

প্রধান বক্তার বক্তব্যে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক শ্রমিকদের সার্বিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধার ওপর আলোকপাত করে বলেন ​”শ্রমিক সমাজই দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার মূল শক্তি। তাদের অক্লান্ত শ্রমের সঠিক মূল্যায়ন না হলে কোনো খাতেই স্থায়ী উন্নয়ন সম্ভব নয়। সিএনজি পরিবহন খাতের শ্রমিকরা নানা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে প্রতিদিন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা প্রতিশ্রুতবদ্ধ। মালিক ও শ্রমিক ভাইদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে, যেন কোনো বিভেদ বা অন্যায় আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরাতে না পারে। ন্যায়সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শ্রমিক কল্যাণে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবে। 

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি নুরুল হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক মোক্তার আহমদ। বক্তারা পরিবহন খাতের বর্তমান সংকট দূরীকরণ ও সিএনজি শ্রমিকদের নানা সমস্যা সমাধানে গঠনমূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

​উক্ত সাধারণ সভায় স্থানীয় সিএনজি শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং শ্রমিক সমাজের উন্নতি কামনায় বিশেষ মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।