আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন

আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট

আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট
ছবি সংগৃহীত।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিশেষ সুবিধা শেষ হয়েছে। ফলে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে আগের নিয়মে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। এতে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধের সময় দুই ঘণ্টা কমেছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখতে চলতি বছর কয়েক দফায় দোকানপাট ও মার্কেট খোলা রাখার সময়সূচি পরিবর্তন করেছে সরকার। সর্বশেষ গত ৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ বিভাগ দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। ২৩ অক্টোবর থেকে আবারও বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার আগের নিয়ম কার্যকর হবে। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় শুক্রবার থেকে সেই নিয়ম কার্যকর হয়েছে।




মাদক-মোবাইল আসক্তি থেকে বাঁচতে তরুণদের মাঠে ফেরার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মাদক-মোবাইল আসক্তি থেকে বাঁচতে তরুণদের মাঠে ফেরার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ছবি সংগৃহীত।

মাদকাসক্তি, মোবাইল আসক্তি ও হতাশা থেকে রক্ষা পেতে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার মাঠে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় স্টেডিয়ামে ‘আরাফাত রহমান কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

অ্যাথলেটিক্সকে ক্রীড়ার জননী উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি সুস্থ জাতি গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকাসক্তি, মোবাইল আসক্তি ও হতাশা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ জন্য তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আর কত দিন আমরা আর্জেন্টিনা কিংবা ব্রাজিলের দিকে তাকিয়ে থাকব? আমাদের নিজেদের খেলোয়াড় তৈরি করতে হবে এবং নিজেদের দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সফল করে তুলতে হবে।’

প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির সরকারি উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মাঠগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করে সংরক্ষণ করতে হবে।

পাশাপাশি নতুন মাঠ চিহ্নিত করার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
নারী অ্যাথলেটদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি স্কুল পর্যায়ে দ্রুত ‘ইন্টার স্কুল স্পোর্টস কম্পিটিশন’ চালুর আহ্বান জানান।

বিশ্বমানের অ্যাথলেট গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি ব্যাংক, বীমা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।
প্রয়াত ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর অবদান স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের ক্রীড়ানুরাগের কথাও স্মরণ করেন তিনি।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা এগিয়ে নিতে ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উৎসাহ ও সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এ ছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান, অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ জাবের ও সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপনসহ ক্রীড়া সংগঠকরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিযোগিতার মশাল প্রজ্বলন করেন সাবেক অ্যাথলেট মহিউদ্দিন আহমেদ মোস্তাক ও সুমিতা রানী। পরে খেলোয়াড় ও বিচারকদের পক্ষ থেকে শপথ পাঠ করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় এবারের প্রতিযোগিতা।




ইউরোপের তিন দেশ থে‌কে ফেরত পাঠানো হ‌লো ৩৫ বাংলাদেশিকে

ইউরোপের তিন দেশ থে‌কে ফেরত পাঠানো হ‌লো ৩৫ বাংলাদেশিকে
ছবি সংগৃহীত।

ইউরোপের তিন দেশ ইতালি, গ্রিস এবং সাইপ্রাস থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকায় ফেরেন।

ফেরত পাঠানোদের ম‌ধ্যে- ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন রয়েছে।

ঢাকার ইতালি দূতাবাস এক বার্তায় জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সংস্থা ফ্রন্টেক্সের (ফ্রন্টেক্স) ব্যবস্থাপনায় শুক্রবার একটি প্রত্যাবাসন ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়।

এর মাধ্যমে ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।




মোংলা বন্দর পরিদর্শন করে যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলা বন্দর পরিদর্শন করে যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের জেটি এলাকায় গিয়ে তিনি বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা ও কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানো, দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করা এবং আধুনিকায়নের কাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকালে উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং মোংলা বন্দরের সক্ষমতা পর্যালোচনায় সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তারেক রহমান।

সকাল ১০টার দিকে তিনি সেখানে যান। এর আগে খুলনা ও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার ও জলযানে ঘুরে দেখেন তিনি।

পরে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটি এলাকায় যান তিনি।
বন্দরের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের সময় সেখানে জড়ো হওয়া বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে শুভেচ্ছা জানান।
পরিদর্শনের সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

বন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।