আকস্মিক বন্যা : নেপাল-তিব্বতে নিখোঁজ বেড়ে ১ হাজার ৩৮৪
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

আকস্মিক বন্যা : নেপাল-তিব্বতে নিখোঁজ বেড়ে ১ হাজার ৩৮৪

আকস্মিক বন্যা : নেপাল-তিব্বতে নিখোঁজ বেড়ে ১ হাজার ৩৮৪
ছবি সংগৃহীত।

ভোতি কোশি নদীর পানি বৃদ্ধির জেরে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়া এবং সীমান্তের অপরপাশে চীনের তিব্বত প্রদেশে নিখোঁজদের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৩৮৪ জনে পৌঁছেছে। এই নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৮০০ জনই বিদেশি নাগরিক।

আজ বৃহস্পতিবার নেপাল এবং তিব্বতের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য। নেপালের কর্মকর্তারা নিখোঁজদের মধ্যে ৮২৬ জন নেপালের। এই নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনই বিদেশি বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির পর্যটন বিভাগ।

নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ১৭৭ জন ভারতীয়, ৬৩ জন যুক্তরাষ্ট্র, ৩৪ জন অস্ট্রেলিয়া, ৩৩ জন ব্রিটেন, ২৫ জন কানাডীয়সহ দুই ডজন দেশের নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নেপালের পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তারা।

বন্যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে জমা কাদা ও পাথরের স্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১৬৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকারী বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, সামনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে।

“এই সংখ্যা বাড়বে, কারণ আমরা তল্লাশি পুনরায় শুরু করেছি এবং আরও মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে,” রয়টার্সকে জানিয়েছেন পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফলে।

আর চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি জানিয়েছে, ভোতি কোশি নদীর আকস্মিক বন্যায় তিব্বতে নিখোঁজ হয়েছেন ৫৫৮ জন। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি নাগরিক আছেন ২৬০ জন। এছাড়া বন্যার ফলে সৃষ্ট কাদা-পাথর-আবর্জনারর ধ্বংস্তূপ থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সিসিটি টিভির প্রতিবেদনে।

নিখোঁজদের সবাই তিব্বতের গিরং জেলার। ভোতি কোশি নদীর হড়পা বানের আঘাত এই জেলার ওপর দিয়েই গিয়েছে।

যাচাইকৃত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, গিরংয়ের একটি সীমান্ত ক্রসিংয়ে পানির প্রবল স্রোত ও ধ্বংসাবশেষ কয়েক ডজন মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং ভাটির দিকে বয়ে যাওয়া স্রোতে নেপালে বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ভেসে গেছে।

নেপালের আকস্মিক বন্যা আঘাত থেকে ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন কেশব প্রসাদ বরাল। তবে নিজের স্ত্রীকে বাঁচাতে পারেননি তিনি। নেপালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬৮ বছর বয়স্ক কেশব রয়টার্সকে তিনি বলেন, “হঠাৎ দেখলাম, বিশাল এক কাদার স্রোত সোজা আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। যত এগিয়ে আসছিল, ততই উঁচু হচ্ছিল স্রোত। যখন দেখলাম এটি আমার বাড়িতে প্রায় ঢুকে পড়েছে, তখন আমি আমার স্ত্রীর হাত ধরে তাকে ছাদে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু সে কাদার স্রোতে ভেসে যায়।”

চার ঘণ্টা পর একটি হেলিকপ্টার এসে কেশবকে তার বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার করে।

“আমার স্ত্রী এখনও কাদার নিচে কোথাও আছে। আমি তাকে বাঁচাতে পারিনি”, রয়টার্সকে বলেন কেশব।

সূত্র : রয়টার্স




বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে
ছবি সংগৃহীত।

বিশ্ববাজারে টানা কয়েক দিন ধরে তেলের দামে পতন দেখা যাচ্ছে। ইরান ও কাতারের মধ্যে আসন্ন বৈঠক নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় তেলের সরবরাহ সংকট কমার সম্ভাবনা দেখছেন তারা।

বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী আবার খুলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বাজারে তেলের দাম কমার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬০ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭ দশমিক ২৪ ডলারে নেমেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ৬৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ইরান ও কাতারের মধ্যে আসন্ন আলোচনাকে ঘিরে তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী আবার খুলে যেতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া তেল সরবরাহ সংকট কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে প্রণালীটি স্বাভাবিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়তে পারে। আর সরবরাহ বাড়ার প্রত্যাশাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করে তেলের দামে চাপ সৃষ্টি করছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-কাতার বৈঠক থেকে ইতিবাচক কোনো অগ্রগতি এলে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও কমতে পারে। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে কিংবা হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স




যে কারণে বন্যায় তছনছ নেপাল

যে কারণে বন্যায় তছনছ নেপাল
ছবি সংগৃহীত।

আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে প্রথমে যে কম্পনকে ভূমিকম্প মনে করা হয়েছিল, পরে সেটিই বেরিয়ে এসেছে ভয়াবহ হিমবাহ ধস ও ভূমিধসের সংকেত হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ওই সময় কোনো ভূমিকম্প হয়নি।

বরং হিমবাহের একটি অংশ ধসে পড়ার পর বরফ, পাথর, কাদা ও পানির বিশাল স্রোত নেমে এসে ভয়াবহ বন্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে স্থানীয়রা যখন দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই উজান থেকে প্রায় ১০০ মিটার উঁচু পানির দেয়ালের মতো স্রোত ধেয়ে আসে।

মুহূর্তেই তলিয়ে যায় তিমুরে বাজার এলাকা। সীমান্তের কাস্টমস পয়েন্টে অপেক্ষমাণ তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও গাড়িও স্রোতে ভেসে যায়।
প্রাথমিকভাবে কাঠমান্ডুর উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে কম্পনটি শনাক্ত করা হয়েছিল। পরে ইউএসজিএস জানায়, সেটি ভূমিকম্প নয়; বরং হিমবাহ, বরফ ও পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ার ফলে সৃষ্ট কম্পন।

স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাসুওয়াগাড়ি সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে লহেন্দে নদীতে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নামে। এতে বিপুল পরিমাণ পাথর, কাদা ও পানি নদীতে নেমে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।
ওই ধসের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে এর ফলে সৃষ্ট কম্পনকে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে রেকর্ড করা হয়। ফলে প্রথমে ভূমিকম্পের ধারণা তৈরি হলেও পরে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হয়।

ভয়াবহ এই বন্যায় এখন পর্যন্ত নেপালে ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিতে অভিযান চলছে। নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী এলাকায় ধস ও বন্যায় বাড়িঘর, সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ অবকাঠামো ও বিভিন্ন স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগের পর কয়েক ঘণ্টা ধরে ৪০৩ জন পর্যটকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতীয় ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন।

স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে তিব্বত থেকে নেমে আসা প্রবল স্রোত ভোটে কোশি নদীতে ঢুকে পড়ে। এতে তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুওয়া, ধাদিং ও নুওয়াকোটসহ বেশ কয়েকটি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পানির সঙ্গে নেমে আসা পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষ মুহূর্তের মধ্যে নদীর তীরবর্তী এলাকা গ্রাস করে।

নেপালের সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বতেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, গিরং এলাকায় তিনজন নিহত এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। সেখানে উদ্ধার অভিযানও চলছে।

তিব্বতের দিকের নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, বিপুল পরিমাণ পাথর, কাদা ও পানির স্রোত ধেয়ে আসার আগে মানুষজন দৌড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছেন। এরপর সেই স্রোতে ভবন ও যানবাহন ভেসে যায়।

নেপালের ক্ষতিগ্রস্ত নুওয়াকোট ও ধাদিং এলাকার মানুষ নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়েছেন। সেখান থেকেই হেলিকপ্টারে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা জীবিত মানুষ ও মরদেহ উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা।

বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্গত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ নেই। ফলে পুলিশ ব্যারাকের বাইরে মোবাইল ফোনের আলো ব্যবহার করে নিখোঁজদের নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে। বাড়িঘর, গাছপালা ও যানবাহন কাদা ও ভূমিধসের নিচে চাপা পড়েছে। দিনভর হেলিকপ্টারে করে জীবিতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সরকারের সব ধরনের সম্পদ ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ধ্বংসস্তূপ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি




মুহূর্তে গ্রাস করে শত শত মানুষকে, নিহত বেড়ে ৯৫

মুহূর্তে গ্রাস করে শত শত মানুষকে, নিহত বেড়ে ৯৫
ছবি সংগৃহীত।

নেপালের সীমান্তবর্তী রাসুয়ায় আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বার্তাসংস্থা এপি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চীনের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তিব্বত থেকে নেপালের ভোতেকুশ নদীর মাধ্যমে হঠাৎ করে পানি এসে আছড়ে পড়ে ঘনবসতিপূর্ণ গ্রামগুলোতে। এ সময় পানি ও কাঁদা মুহূর্তের মধ্যে গ্রাস করে শত শত মানুষকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান কৈলাশ মানস সরোবরে যাওয়া অন্তত চারশ পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। যারমধ্যে প্রায় ১৪০ জন ভারতীয় রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাও নিখোঁজদের তালিকায় আছেন।

নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বিপর্যস্ত এলাকায় ১৪টি হেলিকপ্টার ও কয়েকশ উদ্ধারকারীকে মোতায়েন করা হয়েছে।

আকস্মিক এ বন্যায় নেপালের রাসুয়া জেলা, পার্শ্ববর্তী সায়াফুরবেশি এলাকা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও যানবাহন বন্যার পানিতে ভেসে চলে গেছে।

বরফ ধসে আটকে যায় নদীর প্রবাহ, ভূমিকম্পের পর হঠাৎ নেমে আসে সব পানি

নেপালের কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও জলবায়ু গবেষক রিজান ভক্ত জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে তারা জানতে পেরেছেন সেখানকার লেন্দে নামে একটি নদীতে বরফ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে নদীর পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পানি আর স্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে না এসে জমতে থাকে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে যখন আকস্মিক বন্যার পানি নেপালে নেমে আসে; তখন তিব্বতে একটি ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ধারণা করা হচ্ছে ওই ভূমিকম্পের কারণে বরফ নড়ে যায় এবং লেন্দে নদীর পানি একসঙ্গে ভোতকোশি নদী দিয়ে নিমে নেমে আসে।

কান্তিপুর টিভিকে এ জলবায়ু গবেষক আরও বলেছেন, চীনের বিজ্ঞানীরা তাদের প্রাথমিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমাদের কাছে একটি বরফ ধসের তথ্য এসেছে। যেটি নেপাল প্রান্তে ঘটে এবং লেন্দে নদীকে আটকে দেয়। ওই সময় তিব্বতে একটি ভূমিকম্পও হয়।”

সূত্র: পিটিআই, কাঠমান্ডু পোস্ট, এএফপি