এই মাত্র পাওয়া :

বাংলাদেশ , বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০

চট্টগ্রামে স্বস্থ্য বিধি মেনে মসজিদগুলোতে ঈদের জামাত

লেখক : admin | প্রকাশ: ২০২০-০৮-০১ ১৫:০৯:১০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনার এই সময়ে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামেও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হচ্ছে।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল পৌনে ৮টায় নগরের দামপাড়া জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে চসিকের তত্ত্বাবধানে পবিত্র ঈদ-উল-আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সেখানে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ কয়েকশ’ মুসল্লি ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।

এতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের খতিব ও জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হজরতুল আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। ঈদের নামাজ শেষে করোনা মহামারি থেকে রক্ষা পেতে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া চাওয়া হয়।

একই মসজিদে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল পৌনে ৯টায়। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহর পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা আহমুদুল হক।

এদিকে লালদীঘি শাহি জামে মসজিদে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সোয়া ৮টায়। জালালাবাদ আরেফিননগর সিটি করপোরেশন কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদের ঈদ জামাতও সকাল সোয়া ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এছাড়া সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে হজরত শেখ ফরিদ (র.) চশমা ঈদগাহ ময়দান, চকবাজার সিটি করপোরেশন জামে মসজিদ ও সাড়ে ৭টায় মা আয়েশা সিদ্দিকা চসিক জামে মসজিদে (সাগরিকা জহর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন) ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এবার মুসল্লিরা মুখে মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে সবাই কোলাকুলি করা থেকে বিরত ছিলেন।

নামাজ আদায় শেষে মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা সামর্থ্য অনুয়ায়ী পশু কোরবানি করছেন

প্রায় চার হাজার বছর আগে আল্লাহপাকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য হজরত ইব্রাহিম (আ.) প্রিয়পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরম করুণাময়ের অপার কুদরতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়।

হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করে বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহপাকের অনুগ্রহ লাভের আশায় পশু কোরবানি করে থাকে। আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান মুসল্লিদের জন্য আল্লাহ কোরবানি ওয়াজিব করে দিয়েছেন।

Print Friendly and PDF