এই মাত্র পাওয়া :

বাংলাদেশ , বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০

কক্সবাজারে যুবককে মেরে মৃত ভেবে ফেলে গেল দুর্বৃত্তরা

লেখক : admin | প্রকাশ: ২০২০-০৭-০৬ ২৩:৫২:৩১



নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার:

 

কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে প্রকাশ্য দিবালোকে হুমায়ুন নামের যুবককে হাঁতুড়ি পেটায় গুরুতর আহত করা হয়েছে। ৪ জুলাই পিএমখালীর নুর মোহাম্মদ চৌধুরী বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটনাটি ঘটে। আহত মুজিব ধাওনখালীর মৌলভী কবির আহমদের ছেলে। তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের কেউ আটক হয় নি। স্থানীয় তাহের-মতি বাহিনীর লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আহতের স্বজনেরা।


পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে হুমায়ুনের মোটর সাইকেল, টাকা, মোবাইল ছিনিয়ে নে। এরপর তাকে মৃত ভেবে মাটিতে ফেল চলে যায় চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা। তাদের প্রভাব এতই যে, প্রায় ১ ঘন্টা প্রকাশ্যে বাজারে হুমায়ুনকে মারধর করলেও ভয়ে কেউ এগিয়ে যায় নি। এলাকাবাসীর অভিেযাগ- পিএমখালীতে সাধারণ মানুষের ঘুম হারাম করে দিয়েছে এই তাহের-মতি বাহিনী। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে পুরো এলাকার নিরীহ মানুষ। সামান্য কারণে তারা মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায়, বিচারের নামে ব্যবসা, জায়গা দখলসহ নানা অপরাধ মুলক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মডেল থানায় ডজন মামলা রয়েছে।


সরকারি জায়গা দখল, নদী দখলসহ নানা কারণে এলাকায় ত্রাস হিসাবে পরিচিত এ চক্রের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা। স্থানীয়রা জানিয়েছে, সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট হাবিবুর রহমানের বড় ভাইয়ের বাড়িতে হামলা করা হয়। এ ঘটনা শেষ হতে না হতে প্রকাশ্য দিবালোকে আরেকটি ঘটনার জন্ম দিল একই লোকজন। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে সংকটাপন্ন হুমায়ুন জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মাছুয়াখালী নছরতআলী পাড়ার শফিউল আলমের পুত্র তাহের, মতিউল ইসলাম মতি, আজু, সাইুল, শেখাউল একই গ্রুপের উসমান, ভাড়াতে সন্ত্রাসাী আশেক, বাড়ি সিরাজের পুত্রসহ ১২/১৪জন হামলা চালায়। হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে সদর হাসপাতালে মৃত্যু সাথে পান্জা লড়ছে হুমায়ুন। তাঁর হাত ভেঙ্গে গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাহের- মতি গ্রুপের বিরুদ্ধে ৫টি মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। এছাড়া আরো ৬টিসহ ১১টি মামলা চলমান রয়েছে।


মামলাগুলো হলো জিআর ২৮০/১১, জিআর ১৯৬/০২, ২৩৮/-১, ১৪৯/১১, ৭৮/০২, ৪৭৭/০২,২৫৩/০৯, ৩৫১/-১,৫৯৭/১১, ২৯৬/২০ এছাড়া এসটি মামলা গুলো হলো ১৯২/৩,২৫৫/১৩ ইংরেজি। উক্ত বাহিনীকে গ্রেফতার করা না হলে পিএমখালীর আইনশৃংখলার মারাত্মক অবনতির আশংকা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান বলেন, দুইটা পক্ষের মধ্যে একটা ঘটনার কথা শুনেছি। কোন পক্ষ লিখিত কোন অভিযোগ দেয় নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Print Friendly and PDF