এই মাত্র পাওয়া :

বাংলাদেশ , মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০

লোহাগাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষকের বিরোদ্ধে হামলা ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ

লেখক : admin | প্রকাশ: ২০২০-০৬-৩০ ১৪:৩৪:২৮



নিজস্ব প্রতিবদক, লোহাগাড়া:

লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছড়ি কালি বাড়ি এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরোদ্ধে একটি মুদির দোকানে ক্রেতার উপর হামলা চালিয়ে দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।


২৯ জুন সোমবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক সুখছড়ী ব্রাহ্মণপাড়ার মৃত বিমল চক্রবর্তীর ছেলে মাস্টার তপন চক্রবর্তী। তিনি লোহাগাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এই ঘটনায়
দোকানের মালিক গোবিন্দ চক্রবর্তী বাদী হয়ে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে লোহাগাড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, অভিযুক্ত শিক্ষক তপন চক্রবর্তীর সাথে কিছুদিন আগে একটি সার্বজনীন শ্বশানের জায়গা নিয়ে পার্শ্ববর্তী পাড়ার বাসু দাশসহ স্থানীয়দের সাথে বিরোধ হয়। এই ঘটনায় স্থানীয়রা এলাকার ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিচার দেন। এতে কয়েকদিন আগে সুখছড়ী কালীমন্দিরে শ্বশানের জায়গা নিয়ে বিচার হয়। বিচারে সিদ্ধান্ত হয় যে শ্বশানের জায়গা দীর্ঘদিনের মত সার্বজনীন থাকবে। এতে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবেনা। এই ঘটনার জের ধরে শিক্ষক তপন চক্রবর্তী তার বাড়ির পাশ্ববর্তী গৌবিন্দ চক্রবর্তীর মুদির দোকানে বাসু দাশকে দেখতে পেয়ে তার ভাই শ্যামল চক্রবর্তী ও স্বপন চক্রবর্তীর ছেলে সুকান্ত চক্রবর্তীকে নিয়ে অতর্কিতভাবে বাসু দাশের উপর হামলা করে । এক পর্যায়ে তারা দোকানের দোকানের আসবাবপত্রসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুর করে এবং লুটপাট চালিয়ে দোকানের ক্যাশবাক্সে থাকা নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।



দোকানের মালিক গোবিন্দ চক্রবর্তী বলেন, শিক্ষক তপন চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সাথে জায়গা-জমি নিয়ে আমাদের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। যা বর্তমানে বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই সে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে বাসু দাশকে আমার দোকানে এসে হামলা করেছে। সে এবং তার পরিবারের লোকজন আমার দোকানের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাংচুর করে এবং নগদটাকা লুটপাট করেছে। এতে আমার প্রায় লক্ষাধিজ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।

এদিকে অভিযুক্ত মাস্টার তপন চক্রবর্তী প্রতিবেদককে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের কথা অস্বিকার করে বলেন, বাদী নিজেই আমার বাড়িতে এসে হামলা চালিয়েছে। এতে আমার পরিবারে ৬ জন সদস্য আহত হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মৃনাল কান্তি দাশ বলেন ঘটনার বিষয় শুনেছি। তবে তাদের বিচার করা দায় হয়ে যায়।

এব্যাপারে লোহাগাড়া থানার ডিউটি অফিসার শিপক বলেন, এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।



লোহাগাড়া থানার ওসি মো: জাকের হোসাইন মাহমুদ বলেন, দোকানে হামলার ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Print Friendly and PDF