এই মাত্র পাওয়া :

বাংলাদেশ , রোববার, ১২ জুলাই ২০২০

‘বাবুল আক্তার নাতি-নাতনিদের আমাদের কাছে আসতে দেয় না’

লেখক : admin | প্রকাশ: ২০২০-০৬-০৪ ২৩:১৬:০৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুকে কে বা কারা হত্যা করেছে তা জানতে তদন্তের দিকে তাকিয়ে আছে মিতুর পরিবার। তার বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে  বলেন, আমাদের মেয়েকে কে হত্যা করেছে তা জানতে চাই। কিন্তু চার বছর হয়ে গেলেও তদন্ত শেষ হচ্ছে না। যা অস্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা এ পর্যন্ত যাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলেছি তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।

তিনি বলেন, বাবুল আক্তারকে আমরা প্রধান সন্দেহভাজন মনে করি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি-না জানি না। তাকে আসামি করা হয়নি। এসব কারণে থানা পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি সিআইডি, পিবিআই বা অন্য সংস্থায় স্থানান্তরের দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, আমার নাতি নাতনিকে দেখার জন্য মনটা ছটফট করে। কিন্তু বাবুল আক্তার তাদেরকে আমাদের কাছে আসতে দেয় না। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাবুল আক্তারসহ অন্য আসামিদের সঙ্গে লিয়াজু করে চলে বলে তিনি দাবি করেন।

মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের খুব আদরের সন্তান ছিল মিতু। তাকে হত্যার পর এতোটা বছর চলে গেল আমরা এখনো জানতে পারলাম কে হত্যাকারী। আমরা অপেক্ষা করছি প্রকৃত হত্যাকারী কে তা জানার জন্য। কিন্তু তদন্তকারীরা বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওযার চেষ্টা করছেন। যা কোনোভাবে কাম্য নয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন জঙ্গিবিরোধী নানা অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া পুলিশ কর্মকর্তা বাবুলের স্ত্রী মিতু। পদোন্নতি পেয়ে ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে যোগ দেওয়ার আগে বাবুল চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম ছাড়ার কয়েক দিনের মধ্যে খুন হন মিতু। হত্যাকাণ্ডের পর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করেন বাবুল।

Print Friendly and PDF