এই মাত্র পাওয়া :

বাংলাদেশ , বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০

কাপ্তাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে স্বয়ংক্রিয় জীবানু নাশক টানেল স্থাপন

লেখক : admin | প্রকাশ: ২০২০-০৬-০১ ১৭:৫০:২৩



কাপ্তাইপ্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন ব্যক্তিগত উদ্যোগে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের শিলছড়ি বালুচর ষ্টিল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় প্রশান্তি পর্যটন কমপ্লেক্সের সামনে সয়ংক্রিয় ষ্প্রে মেশিনের সাহায্যে জীবানু নাশক টানেল স্থাপন করেছেন। জীবানু নাশক টানেল ব্যবহার করে পথচারী ও যানবাহনে সরাসরি জীবানুনাশক ছিটানোর উদ্যোগকে কাপ্তাইবাসী স্বাগত ও সাধুবাদ জানিয়েছেন। জীবানু নাশক টানেল স্থাপনকারী কাপ্তাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদকে বলেন, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলি পেপার মিলস, পর্যটন এলাকাসহ নানা কারনে কাপ্তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা।


এই এলাকায় প্রতিদিন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের আগমন ঘটে, তাই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি ও করোনার বিস্তার রোধে তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং অনেকে তাকে সহায়তা করছেন এই কাজে। কাপ্তাই উপজেলা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক মোঃ আব্দুল্লাহ ও মোঃ করিম জানান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইতিপূর্বেও করোনা ভাইরাস সংক্রম প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভিণ্ন উপায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কাপ্তাইয়ের প্রবেশ পথে টানেল স্থাপন করায় গাড়ি চালক ও যাত্রীদের জীবানুমুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা গাড়িতে জীবানু নাশক রাখতে ভুলে গেলে এখান থেকে জীবানুমুক্ত হতে পারি। কাপ্তাই উপজেলার বগারচর এলাকার বাসিন্দা ও আইটি ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূযোর্গে কার্যকরী ভূমিকা রাখেন, জীবানু নাশক টানেল স্থাপন করে তিনি কাপ্তাইবাসীকে করোনা প্রতিরোধে একধাপ এগিয়ে রেখেছেন।


জানা যায়, ৮টি স্বয়ংক্রিয় ষ্প্রে মেশিনের সাহায্যে প্রতিদিন ব্লিচিং পাউডার ও হাইড্রোজেন পার অক্সাইড মিশ্রিত ৫ হাজার ছয়শ লিটার জীবানু নাশক ছিটানো হচ্ছে। এই প্রকল্প স্থাপন করতে তার আনুমানিক ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। পাম্পের সাহায্যে পানি উত্তোলন, ক্যামিকেল মিশ্রন, রক্ষণা বেক্ষন ও বিদ্যুৎ বিল বাবত তার প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার টাকা খরচ হয়।

Print Friendly and PDF