এই মাত্র পাওয়া :

বাংলাদেশ , বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০

সাতকানিয়ায় দুপক্ষের মারমারি থানায় অভিযোগ

লেখক : admin | প্রকাশ: ২০২০-০৬-০১ ১৩:৩৩:০২



নুরুল ইসলাম সবুজ সাতকানিয়া:

সাতকানিয়া উপজেলার ১৬নং ইউনিয়নের করইয়া নগর ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার স্বামী আব্দুর রহিমকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।উক্ত ঘটনায় জান্নাতুল ফেরদৌস বাদী ৯ জনকে বিবাদী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযুক্ত বিবাদীরা হলেন, ওসমান গনি(৫০),মোহাম্মদ ভুট্টু (৩৫),মোহাম্মদ জামাল(৩০),মোঃ রুবেল(৩৫),মোঃ জনি(৩০)আকতার কামাল(৪০),মোঃ সাকিব(২০),মোঃ দেলোয়ার হোসেন(৩৫),মুন্নি আক্তার(২০) অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,জান্নাতুল ফেরদৌসের স্বামী আব্দুর রহিম পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।ওসমান গনি ও কামাল একি এলাকায় একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ করতে যান এবং সেখানে একটি স্বর্ণের বালা খুঁজে পায়।পরে ওসমান ও কামাল একটি জায়গায় বসে নির্মাণ ঘরে পাওয়া বালা বিষয়ে কথা হয় এবং রহিম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।পরবর্তীতে ১নং বিবাদী উক্ত স্বর্ণের বালা জনৈক মোঃ কামাল হইতে চাহিলে ফেরদৌসের স্বামী আব্দুর রহিম,মোঃ কামালকে উক্ত স্বর্ণের বালা ১নং বিবাদীকে না দেওয়ার জন্য বলে।তারই জেরকে কেন্দ্র করে ২৭ মে বেলা ১১টার সময় বিবাদীগন সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন লোক দা,লাঠি,লোহার রড, ও দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে ফেরদৌসের স্বামী রহিম ও তাদের উপর অতর্কিতভাবে মারধর করে এবং বসতঘরে হামলা চালায়।


এসময় ফেরদৌস ও তার জা রুবির ঘরে থাকা ৪ভরি স্বর্ণ অলংকার ও ঘরের বিভিন্ন ধরনের মালামাল ভাংচুর করে।অনুমান ২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ফেরদৌসের পরনের কাপড় চোপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।এসময় থানায় মামলা না করার জন্য শাসায় এবং মামলা করলে প্রানে হত্যার হুমকি প্রদান করে। বিবাদী রুবেলের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আসলে উনারা যা অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।উনারা ঘটনা অন্য দিকে প্রবাহিত করতে চাচ্ছেন, ওদের সাথে আমাদের ১০ হাজার পাওনা টাকা নিয়ে তর্ক হয়,এক পর্যায়ে তারা আমাদের উপর হামলা করে এ ঘটনায় আমাদের দুজনকে গুরুতর আহত হয় এবং হাসপাতালে ভর্তি আছেন।আমরা তাদের নামে থানায় অভিযোগ করেছি ও সেই অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে ইউপি সদস্য আহমদ কবির বলেন,পাওনা টাকা নিয়ে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং আমার কাছে বিচার আসে।আমি সেটি সমধান করে দিই এবং উনারা তা মেনে নেন।পরবর্তীতে ২০ মিনিট না যেতেই ঘটনা অন্য দিকে রূপ নেয়, উনারা মারামারি মধ্যে জড়িয়ে পড়েন। এবিষয়ে সাতকানিয়া থানার এসআই মাহাবুব কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্তে গিয়ে দেখি উনারা বাড়ি ঘরে কেউ নেই।প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান।

Print Friendly and PDF